চ্যালেঞ্জ কাপ

টু কি টা কি

হারেও সন্তুষ্ট ডাচ কোচ ক্রুইফ স্পোর্টস রিপোর্টার, কাঠমান্ডু নেপাল থেকে বাংলাদেশের ডাচ কোচ ফিলিস্তিনের কাছে হারের পরও খেলোয়াড়দের পারফর্মেন্সে সন্তুষ্ট। শারীরিকভাবে সামর্থ্য কম খেলোয়াড়দের। এ কারণেই দীর্ঘদেহী খেলোয়াড়দের সাথে বাংলাদেশের ছেলেরা ব্যর্থ হচ্ছে বলে মনে করেন কোচ। এপ্রসঙ্গে ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে ডাচ কোচ বলেন, আমি তো খেলোয়াড়দের শারীরিক গঠন বাড়াতে পারব না। ফিটনেস আরো বাড়ানো যাবে, সেটা সম্ভব। তিনি আরো বলেন এখনও সব শেষ হয়ে যায়নি। আমরা যদি নেপালকে হারিয়ে নর্দান মারিয়ানাকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করতে পারি তাহলে সুযোগ থাকবে। চ্যালেঞ্জ কাপ ফুটবল বাছাইয়ে ২০ দল স্পোর্টস রিপোর্টার, কাঠমান্ডু নেপাল থেকে চ্যালেঞ্জ কাপ ফুটবলে পাঁচ গ্রুপে ২০ দল লড়াই করছে। বাংলাদেশ খেলছে ‘ডি’ গ্রুপে। প্রত্যেক গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন এবং পুরো টুর্নামেন্টের বাছাই থেকে সেরা রানার্সআপ দুই দলসহ সাতটি দেশ উঠবে চূড়ান্ত পর্বে। আগামী বছর মালদ্বীপে চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। স্বাগতিক মালদ্বীপ সরাসরি চূড়ান্ত পর্বে খেলবে। বাংলাদেশ প্রথম চ্যালেঞ্জ কাপ ফুটবলে খেলেছিল দেশের মাটিতে। এএফসির প্রথম টুর্নামেন্ট বলে সেবার বাছাই পর্ব ছিল না। এরপর থেকে বাংলাদেশকে বাছাই পর্ব খেলতে হচ্ছে। ২০১১ সাথে মিয়ানমারে চূড়ান্ত পর্বে খেলেছে বাংলাদেশ। নেপালের মতো অন্যান্য দেশেও চ্যালেঞ্জ কাপ ফুটবলের বাছাই শুরু হয়েছে। রনির গোলটা পেলে আমরা লড়াইয়ে থাকতাম -------ওয়ালী ফয়সাল স্পোর্টস রিপোর্টার, কাঠমান্ডু নেপাল থেকে ম্যাচটা হেরে ফুটবলাররা বিষণ্নতার মধ্যে ছিলেন। দলের মধ্যে অন্যতম সিনিয়র ফুটবলার ওয়ালী ফয়সাল মনে করছেন, তারা ভালো খেলেই হেরেছেন। রনির গোলটা হয়ে গেলে আমরা ফাইটে থাকতাম। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল প্রেসার দিয়ে খেলব- বললেন ওয়ালী ফয়সাল। তিনি বলেন আমরা একটা বাজে গোল খেয়েছি। আমাদের ব্যাডলাক আমরা পয়েন্ট পেলাম না। বাংলাদেশকে সমর্থন দিল নেপালীরা দশরথে ছিল কড়া নিরাপত্তা স্পোর্টস রিপোর্টার, কাঠমান্ডু নেপাল থেকে কাল দিনের প্রথম খেলায় বাংলাদেশ এবং দ্বিতীয়টিতে নেপাল মাঠে নামে। এ কারণে নেপালী দর্শকরা দুপুর থেকে দশরথ স্টেডিয়ামে আসতে শুরু করে। স্টেডিয়ামের চারদিকে ছিল কড়া নিরাপত্তা। স্টেডিয়ামের ভেতরে আর্মড পুলিশ। গ্যালারির অভ্যন্তরে চারদিকে ঘিরে রেখেছিল পুলিশ। প্রস্তুত ছিল বোমা নিষ্ক্রিয় গ্রুপ, ফায়ার সর্ভিস এবং অ্যাম্বুলেন্স। ১৭ হাজার দর্শকের স্টেডিয়ামে নেপালের ম্যাচের সময় স্টেডিয়ামে একটু জায়গাও ফাঁকা ছিল না। গ্যালারির টিকিটের মূল্য ছিল বাংলাদেশের টাকায় ৩০০ এবং ৭০০। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়েছেন নেপালীরা। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা বল পেলেই উল্লাস করেছেন। জাতীয় পতাকা নিয়ে ভিআইপি গ্যালারিতে ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক তারকা ফুটবলার মাসুদ রানা। এবারও সুজন বাইরে স্পোর্টস রিপোর্টার, কাঠমান্ডু নেপাল থেকে গত সেপ্টেম্বরে নেপালে প্রীতি ম্যাচ খেলেতে গিয়ে ইনজুরির কারণে মাঠে নামতে পারেননি বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়ক সুজন। সবার ধারণা ছিল ডাচ কোচের অধীনে বাংলাদেশ দলের এই ডিফেন্ডার চ্যালেঞ্জ কাপের প্রথম ম্যাচে ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে মাঠে নামবেন। কারণ নেপালে পাঁচ দিনের অনুশীলনে তার তেমন কোনো ইনজুরির কথা শোনা যায়নি। তারপরও দলের একমাত্র সিনিয়র এবং অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ম্যাচের আগের দিনই বাদ পড়েছেন। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে বাছাই পর্বের পাঁচ দলের কোচ এবং অধিনায়ক আসলেও বাংলাদেশের কোচ তার সাথে অধিনায়ক সুজনকে আনেননি। সংবাদ সম্মেলনে কোচের সাথে ছিলেন ডিফেন্ডার নাসির উদ্দিন চৌধুরি। গতকাল ম্যাচ শেষে কোচের কাছে একই প্রশ্ন সুজনকে কেন সাইড লাইনে পাঠিয়ে দেয়া হলো। এব্যাপারে তিনি এড়িয়ে যান। শুধু সজুনই নয়, যে ক’জন ফুটবলার জাতীয় দলের নিয়মিত একাদশে থাকেন, তাদের একাধিক ফুটবলারকে ডাচ কোচ সাইড লাইনে বসিয়ে দেন। এদের মধ্যে গোলকিপার মামুন খান, শাকিল, মিশু, মেজবাবুল হক মানিক রয়েছেন। দলের তরুণ স্ট্রাইকার তকলিস কাল মাঠে নামলেন মিঠুনের বদলে। সেরা একাদশে জায়গা ছিল না মারুফের।