গাইবান্ধায় নিহত পুলিশ পরিবারে ১ লাখ টাকা অনুদান

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বামনডাঙ্গায় জামায়াত-শিবিবের সহিংসতায় নিহত চার পুলিশ কনস্টেবলের জানাজা শুক্রবার বাদ জুমা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কনস্টেবল বাবলু মিয়া ও নাজিমউদ্দিনের জানাজা গাইবান্ধা পুলিশ লাইন মাঠে এবং অপর দুই কনস্টেবল হজরত আলী ও তোজাম্মেল হকের জানাজা রংপুর পুলিশ লাইনে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজাশেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে নিহতদের প্রতি পরিবারকে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে এক লক্ষ করে টাকা অনুদান দেয়া হয়। নিহত পুলিশ কনস্টেবলরা হচ্ছেন রংপুর জেলার পীরগাছা উপজেলার রহমতচর গ্রামের মৃত আনছার আলীর ছেলে তোজাম্মেল হক (ক.নং-৪৮৮), কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার কিশামত গোবধা গ্রামের আবু শামার ছেলে হজরত আলী (ক.নং ৪৯২), বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার ঠাকুরপাড়া গ্রামের তফিজ উদ্দিনের ছেলে বাবলু মিয়া (ক.নং-৫৩৭) ও গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার খামার ধনারুহা গ্রামের মৃত এছাহাক আলীর ছেলে নাজিম উদ্দিন (ক.নং- ১৫৮)। বৃহস্পতিবার দুপুরে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের রায় শোনার পর জামায়াত-শিবির কর্মীরা পুরো সুন্দরগঞ্জ উপজেলা জুড়ে তাণ্ডব চালাতে থাকে। বিকেলে জামায়াত-শিবির কর্মীরা উপজেলার বামনডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালায় এবং পুলিশদের বেধড়ক পেটাতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলে ২ জন কনস্টেবল নিহত ও অপর ৪ কনস্টেবল গুরুতর আহত হয়। পরে এরমধ্যে সন্ধ্যায় ও গভীর রাতে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আরো দুইজন মারা যায়।