জোকস

০০ নামকরা চিত্রকর হিসেবে তখন দেশে আর দেশের বাইরে সবখানেই ভীষণ নামডাক পাবলো পিকাসোর। তো এই পিকাসোই একদিন গেলেন স্থানীয় একটা ফার্নিচারের দোকানে। উদ্দেশ্য নিজের জন্য একটা ওয়াড্রোব বানাবেন তিনি। এজন্য ওয়াড্রোবটা কেমন হবে তা বুঝিয়ে বলতে একটা কাগজে দ্রুত কয়েকটা আঁক টেনে মালিককে দেখালেন পিকাসো। তারপর তিনি যখন মালিকের কাছে জানতে চাইলেন যে এ ধরনের একটি ওয়াড্রোব তৈরি করতে কত টাকা লাগবে তখন মালিক একগাল হাসি দিয়ে বললেন, ‘কোনো টাকাই লাগবে না। শুধু এইমাত্র আপনি ওয়াড্রোবের ডিজাইন বোঝাতে যে স্কেচটা আঁকলেন তার নিচে পিকাসো লিখে একটা স্বাক্ষর করে দিন!’ ০০ আইনস্টাইনকে দেখানোর জন্য এক তরুণ ভিড়ের মধ্যে তার শিশুপুত্রটিকে উঁচু করে ধরলো আইনস্টাইনের সামনে। কিন্তু বিষয়টা স্বভাবতই শিশুটির খুব একটা পছন্দ হলো না। তাছাড়া তার কাছে তো আর আইনস্টাইনের আলাদা কোনো মূল্য নেই। অতএব উঁচু করে ধরার পর থেকেই তারস্বরে কাঁদতে লাগলো সে। বিষয়টা চোখ এড়ালো না আইনস্টাইনেরও। তাই শিশুটির কাছে গিয়ে তার গাল টিপে দিয়ে আইনস্টাইন বললেন, ‘আমার এত বছর বয়সে একমাত্র তুমিই অকপটে আমার সম্পর্কে মনের ভাব প্রকাশ করলে!’ ০০ রোমের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন বিখ্যান নাট্যকার হেনরিক ইবসেন। হঠাত্ এক জায়গায় তাকাতেই দেখলেন সেখানে একটা কী একটা পোস্টারের সামনে যেন অনেক লোক একসাথে জটলা পাকিয়ে আছে। বিষয়টা দেখে ইবসেনেরও কৌতূহল হলো পোস্টারে কী লেখা আছে তা জানার। কিন্তু জটলার কাছে যেতেই তিনি আবিষ্কার করলেন যে ভুলবশত চশমাটা বাড়িতেই ফেলে এসেছেন। অগত্যা জটলার সামনের দিকে দাঁড়ানো এক ব্যক্তিকেই তিনি অনুরোধ করলেন পোস্টারে কী লেখা আছে তা তাকে পড়ে বলার জন্য। ইবসেনের এই অনুরোধ শুনে লোকটি ফিসফিস করে বললো, ‘আমিও আপনার মতো পড়তে জানি না!’