ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন বিল সংসদে উত্থাপন
প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০১৩, ২১:৪১
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা আলাদা করতে বহুল আলোচিত ‘একচেঞ্জেস ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন বিল-২০১৩’ গতকাল রবিবার জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের পক্ষে সংস্কৃতিমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ বিল উত্থাপন করেন। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংসদে রিপোর্ট দেয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করলে ১৫ দিনের জন্য প্রেরণ করা হয়।
বিলে বলা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনটি কার্যকর হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জগুলো তাদের প্রস্তাবিত ‘ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন স্কিম’ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ এসইসিতে জমা দেবে। যা পরবর্তী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে এসইসি অনুমোদন দেবে। এর মধ্যদিয়ে স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। আইনটি কার্যকর হলে ডিএসই ও সিএসই’র ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা আলাদা হবে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ, একচেঞ্জগুলোতে কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সু-শাসন প্রতিষ্ঠা, সিকিউরিটিজ এ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের লক্ষ্যে আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন। একচেঞ্জের লেনদেনের অধিকার থেকে মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা পৃথক না হলে স্বার্থের সংঘাত সৃষ্টি হয় এবং বিনিয়োগকারী তথা জনস্বার্থ ব্যাহত হয়। এই আইন প্রণয়নের ফলে স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা, পরিচালন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। তাছাড়া সুশাসন নিশ্চিত হওয়াসহ স্বার্থ সংক্রান্ত সংঘাত নিরসন হবে।