রোড শোতে প্রচারণাকালে এক ব্যক্তির থাপ্পড় খেলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। গতকাল শনিবার নয়াদিল্লি লোকসভা আসনের মোতিনগরে এ ঘটনা ঘটে। ইতিমধ্যে এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি মাথা খোলা জিপ গাড়িতে করে রোড শোতে অংশ নেন কেজরিওয়াল। হঠাত্ করেই এক ব্যক্তি লাফিয়ে উঠে পড়েন গাড়িতে এবং সপাটে থাপ্পড় মারেন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে। তার গায়ে ছিল লাল রঙের জামা। এই ঘটনার পরপরই গাড়িতে থাকা আম আদমি পার্টির কর্মীরা টেনে-হিঁচড়ে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন ওই ব্যক্তিকে। পরে উন্মত্ত জনতার হাত থেকে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করা হয়েছে। ওই ব্যক্তির নাম সুরেশ এবং তিনি খুচরা যন্ত্রাংশ বিক্রেতা বলে এনডিটিভির খবরে জানানো হয়েছে। এ হামলার জন্য বিজেপিকে দায়ী করেছে আম আদমি পার্টি। দলটির এক টুইটে বলা হয়েছে, বিরোধীরাই এ কাজ করিয়েছে। দলটির আইনপ্রণেতা সৌরভ ভরদোয়াজ এনডিটিভিকে বলেন, বিজেপির মধ্যে একটি ধারণা তৈরি হয়েছে যে- কেজরিওয়ালকে ঠেকাতে শারীরিকভাবে হামলা চালাতে হবে। এ ঘটনায় দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনিশ সিসোদা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহকে দায়ী করেছেন। কেজরিওয়ালের ওপর হামলার ঘটনা এটাই নতুন নয়। গত বছর দিল্লি সচিবালয়ে এক ব্যক্তি কেজরিওয়ালের মুখে মরিচের গুঁড়া মাখিয়ে দিয়েছিলেন।
সুপ্রিম কোর্টের কাছে ক্ষমা চেয়েছি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে নয়:রাহুল
কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছেন, চৌকিদার (নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী প্রচারণার নাম) চোর বক্তব্যের জন্য আমি সুপ্রিম কোর্টের কাছে ক্ষমা চেয়েছি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে নয়। চৌকিদার চোর- এই বক্তব্যের ব্যাপারে আমি আমার অবস্থানে অটল রয়েছি। আগামীতেও এই স্লোগান ব্যবহার করবো। গতকাল নয়াদিল্লিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। রাহুল বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে চোর বলা হয়েছে- এই মন্তব্য ছিল ভুল। তবে আমার বক্তব্য এই চৌকিদার চোর। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে মুখোমুখি বিতর্কে বসার আহবান জানান।