গঙ্গাচড়াকে ন্যাশনাল সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি
গঙ্গাচড়া (রংপুর) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০১৩, ২০:৪৭
ন্যাশনাল সার্ভিসের আওতায় রংপুরের অভাবী এলাকা হিসেবে পরিচিত গঙ্গাচড়াকে অন্তর্ভুক্ত না করায় বেকার যুবক-যুবতী ও সাধারণ মানুষের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।
রংপুরের ৮ উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে অভাবী এলাকা গঙ্গাচড়া। তিস্তার অব্যাহত ভাঙ্গনে প্রতিবছর নিঃস্ব হচ্ছে লোকজন। বছর বছর অভাবী লোকের সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু সে তুলনায় অত্র উপজেলায় কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়নি। এখানকার লোকজন দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন। সরকারের ঘোষিত কর্মসূচির আলোকে এ বছর রংপুরের পীরগঞ্জ ও কাউনিয়া উপজেলায় ১৬ হাজার শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীকে ন্যাশনাল সার্ভিসের আওতায় আনার অতি সামপ্রতিক ঘোষণাকে বৈষম্যমূলক আচরণ বলে মনে করছেন অভিজ্ঞমহল।
উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার শামসুজ্জামান আজাদ বলেন, গঙ্গাচড়া একটি অবলেহিত ও অনুন্নত এলাকা। এখানে আছে নদী ভাঙ্গন। অভাবী লোকজনের সংখ্যা বেশি। কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই। এদিক বিবেচনা করে গঙ্গাচড়া উপজেলাকে ন্যাশনাল সার্ভিসের আওতায় আনা হলে ৩ হাজার বেকার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থান হতো।
তারা প্রতিমাসে ৬ হাজার টাকা করে ভাতা পেত। উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা সাত্বিকশাহ আল মারুফ বলেন, বিষয়টি কিভাবে বিবেচনা করা হয়েছে তা আমরা জানি না। তবে তুলনামূলকভাবে অন্যান্য উপজেলার চেয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু জাফর বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিষয়। যা জেলা থেকে করা হয়েছে।