কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে স্পিডবোট ও ট্রলারের মুখোমুখি সংঘর্ষের সময় নিখোঁজ আরো দুই যাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে শিবচর থানা পুলিশ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে শিবচরের কাঁঠালবাড়ি ইলিয়াছ আহম্মেদ চৌধুরী ৪নং ফেরিঘাট সংলগ্ন পদ্মানদীতে দুই জনের লাশ ভাসতে দেখে শিবচর থানায় খবর দেয় এলাকাবাসী। পরে পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর প্রেরণ করে। মৃতরা হলো শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের খাড়াকান্দি গ্রামের ইমরান ফরাজির ছেলে আমির হামজা (৬) ও বরিশালের বানারীপাড়ার উদয়কাঠি এলাকার রহমান খন্দকারের ছেলে ঢাকার কবি নজরুল কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্র মো. মিরাজ হোসেন (২০)। সহকারী পুলিশ সুপার আবির হোসেন জানান, এ ব্যাপারে শিবচর থানায় মামলা হয়েছে।
নিহত মিরাজের মামা মাঈনুদ্দিন সরদার বলেন, আমার ভাগ্নে মিরাজ ঢাকার কবি নজরুল কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্র ছিল। সে ঢাকা থেকে বাড়ি আসার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। গত বছর মিরাজের বড় ভাই বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে মারা যায়। আমার বোনের দুটি মাত্র ছেলে। এক বছরেই দুই ছেলেকে হারিয়ে বোন আমার বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা পরিবারে।
গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে শিমুলিয়া থেকে কাঁঠালবাড়িগামী ওই স্পিডবোটের সঙ্গে ট্রলারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ সময় স্পিডবোটের ১৬ জন যাত্রীর মধ্যে তিন যাত্রী নিখোঁজ হন। ঘটনার দিনই মো. মুরাদ হোসেন নামে এক যাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়।