ক্ষুদ্র ঋণের সর্বোচ্চ সীমা ৫০ হাজার টাকা

স্বল্প মেয়াদে ক্ষুদ্র ঋণের সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন নিয়মে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত বিতরণ হওয়া ঋণকে ক্ষুদ্র ঋণ হিসেবে ধরা হবে। এর অতিরিক্ত পরিমাণ ঋণকে ক্ষুদ্র ঋণের আওতায় ফেলা যাবে না। তবে এ ঋণ পরিশোধে পরবর্তী এক বছরের নির্দিষ্ট সময়ের বিধান বহাল রাখা হয়েছে। গতকাল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কৃষি ঋণ ও আর্থিক সেবাভুক্তি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তফসিলী ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠিয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, স্বল্প মেয়াদে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ ক্ষুদ্র ঋণের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। যা ঋণ বিতরণের পরবর্তী ১২ মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। ব্যাংকগুলোকে এই নির্দেশনা অতি সত্বর বাস্তবায়ন করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বরে ঋণ পুন:তফসিলীকরণ ও খেলাপি সংক্রান্ত মাষ্টার সার্কুলার জারি করেছিল। সেখানে ক্ষুদ্র ঋণের সীমা নির্ধারণে কৃষি ঋণ ও আর্থিক সেবাভুক্তি বিভাগের সময়ে সময়ে নির্দেশনা অনুসরণ করার কথা বলা হয়। সে আলোকে কৃষি ঋণ বিভাগ এ নির্দেশনা দিয়েছে। মাস্টার সার্কুলার জারির আগে, স্বল্প মেয়াদে ক্ষুদ্র ঋণের সর্বোচ্চ সীমা ছিল ২৫ হাজার টাকা। নতুন এ সার্কুলারে সর্বোচ্চ সীমা প্রত্যাহারের পাশাপাশি ঋণ খেলাপির সময়ও নির্ধারণ করা হয়। এতে ঋণ পরিশোধের মেয়াদোত্তীর্ণের ছয় মাস অতিক্রম হলে তা শ্রেণীকৃত ঋণ হিসেবে বিবেচিত হওয়ার কথা।