আন্তর্জাতিক মানের অ্যাকাউন্টিং প্রফেশনাল হতে
প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০১৩, ২১:০৭
একটা সময় অ্যাকাউন্টিং বা ফিন্যান্স বিষয়ে পড়ালেখা শেষ করেই ভালো চাকরি পাওয়া যেত। এরপর শুরু হয় বিবিএ এবং এমবিএ’র যুগ। বিশ্বায়নের হাওয়ায় সেই প্রবণতাও থেমে গেছে। এখন ক্যারিয়ার গড়তে সকলেই বেছে নিচ্ছে অ্যাসোসিয়েশন অব চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্টস (এসিসিএ)কে। এটি জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রফেশনাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট বডি। এই ডিগ্রিটি অর্জন করার প্রেক্ষিতে যেকোনো শিক্ষার্থী আমাদের দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবে। আর দেশেই এই ডিগ্রি অর্জন করতে চান, তাদের জন্য রয়েছে সাইফুরস ইউনিভার্সিটি কলেজ (এসইউসি)।
১০ বছর ধরে সাইফুর’স টোফেল, আইইএলটিএস, স্যাট, জিআরই, জিম্যাটসহ আরও কিছু কোর্স সফলভাবে পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠানটি এসিসিএ, সিএটি বা এফআইএ কোর্সগুলোর ক্ষেত্রেও সাফল্য বজায় রাখছে। এ সফলতা অর্জন করায় প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি এসিসিএ গ্লাসগো যুক্তরাজ্য থেকে গোল্ড স্ট্যাটাস অর্জন করেছে।
অনেক শিক্ষার্থীই জানে না, ফাউন্ডেশন ইন অ্যাকাউন্ট্যান্সি (এফআইএ) ও সিএটি শুরু করার জন্য কী ধরনের যোগ্যতা প্রয়োজন বা পূর্ণ কোর্স শেষ করতে কতদিন সময় লাগবে। এসএসসি/ও-লেভেল অথবা এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে থাকলে এফআই শুরু করা যাবে। এখানে ৭০০ নম্বরের সাতটি পেপার রয়েছে। প্রতি বিষয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে পরীক্ষা দিতে হয়। এটি এক বছর বা তার চেয়ে কম-বেশি সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ করা যায়। অনেকেই সিএটি এবং এফআইএ’র মধ্যেকার পার্থক্য বুঝতে পারে না। আগে এসএসসি বা এইচএসসির পর সিএটি সম্পন্ন করে সরাসরি এসিসিএ পার্ট-২ শুরু করা যেত। সিএটিতে ছিলে ৯টি বিষয়। এখন এর পরিবর্তে এফআইএ করে সরাসরি এসিসিএ পার্ট-২ করা যাবে। এফআইএতে ৭০০ নম্বরের পরীক্ষায় পাস করতে হয়। এফআইএ এবং এসিসিএ একত্রে সম্পন্ন করতে একজন শিক্ষার্থীর চার থেকে সাড়ে চার বছর সময় লাগবে এবং খরচ হবে প্রায় সাড়ে চার লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা। আর যাদের গ্র্যাজুয়েশন বা এ লেভেল করা আছে, তারা সরাসরি এসিসিএ শুরু করতে পারবেন। অ্যাকাউন্টিং/ম্যানেজম্যান্ট/ফিনান্স বিষয়ে বিবিএ বা অনার্স করা থাকলে এসিসিএতে বেশকিছু বিষয়ে এক্সম্পশন পাওয়া যায়। এতে খরচ ও সময় তুলনামূলকভাবে কম হবে। ০১১৯৯৯৮২২০১, ০১১৯৯৯৮২২০২ নম্বরে ফোন করে এসব বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই কোর্সের পুরোটাই সম্পন্ন করতে হবে ইংরেজিতে। তবে আমাদের দেশে অনেকেই ইংরেজি ভাষায় দুর্বল। এ কারণে সাইফুর’স থেকেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ইংরেজিতে দুর্বল শিক্ষার্থীদের ইংরেজি শেখানোর। এখানে রয়েছে বিশাল লাইব্রেরি সুবিধাসহ ইন্টার্নশিপের সুযোগ। এসিসিএ করলে দেশ-বিদেশে ভালো চাকরির সুযোগ আছে। ১৭০টি দেশের সঙ্গে ফুল ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ থাকায় ব্রিটেন, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগও রয়েছে। তাই যে কেউ এ ধরনের কোর্স করে বিশ্ববাজারের চাকরির সুযোগ নিতে পারবে।
যোগাযোগ :৬৯/বি, মনোয়ারা প্লাজা, পান্থপথ, গ্রিন রোড, ঢাকা।
এইচএসসি থেকে মাস্টার্সের যেকোনো পর্যায়ে শুরু করা যায়।
এই প্রথম প্রতিষ্ঠানটি রেজিস্ট্রেশন ফি ও বাত্সরিক ফি বাবদ ২৫ হাজার টাকা স্কলারশিপ হিসেবে প্রদান করছে।
পাশ গ্যারান্টি স্কিম।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় একমাত্র এই প্রতিষ্ঠানটির এরকম স্কিম রয়েছে।