ফণী মোকাবেলায় প্রশাসনের তত্পরতা ছিল লক্ষণীয়

৪৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ ‘ফণী’ থেকে জান মাল রক্ষা বা এ থেকে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে রাখার জন্য কেন্দ্র থেকে শুরু করে উপকূলীয় মাঠ প্রশাসনের তত্পরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, সকল জেলা ও উপজেলা প্রশাসন গত শুক্র ও শনিবার ছুটির দিনেও খোলা রাখা হয়।

সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী, কোস্ট গার্ড ফায়ার সার্ভিস বেসরকারি স্বেচ্ছাবেক বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছিলো। সময় মতো উপকূলীয় ১৯ জেলা থেকে প্রায় ৪ লাখ মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। গবাদি পশুসহ পক্ষিকুলকেও নিরাপদে নেওয়া হয়। আগে ভাগে ফসল উঠিয়ে নেওয়ার কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঘোষণায় ধানের ক্ষতি কম হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে। মত্স্য, প্রাণী সম্পদের বড় ক্ষয় ক্ষতি ঠোকানো গেছে। তবে পুরো ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পেতে দু’একদিন সময় লাগবে বলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন।

এদিকে গতকালই ফণীর প্রভাব শেষ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা মানুষকে বাড়ি ফিরতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান ফণী থেকে রক্ষা পেতে গণমাধ্যম এবং প্রশাসনসহ জনগণের সহায়তার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক দিক নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও মাঠ প্রশাসন সার্ভিকভাবে কাজ করেছে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল বলেন, বাংলাদেশ পৃথিবীর যে কোনো দেশের তুলনায় এখন দুর্যোগ মোকাবেলায় দক্ষ ও সক্ষমতা অর্জন করেছে। জনগণও এখন অনেক সচেতন। ফলে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সক্ষমতাও বেড়েছে। সরকারের সমন্বয়ের মাধ্যমে সকল কাজ কর্ম করা হয়েছে।