দেশে বসবাস করে ৩৭ ভাষাভাষী

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ সংসদকে জানান, বাংলাদেশের বৃহত্তম জনগোষ্ঠীর ভাষা বাংলা। দেশে বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠী ও তাদের ভাষা রয়েছে। বাংলা ছাড়াও ৩৭টি ভাষাভাষী এদেশের গর্বিত নাগরিক। ভাষাগুলো হচ্ছে- বড়াইক, নাগরি, বম, চাক, চাকমা (সাংমা), ডালু, গারো (আচিক), হাজং, খাসি, খুমি, হিওবে (খিয়াং), কোচ, কোডা, লুসাই, কুর্মালী, পাহাড়ী, মালপাহাড়ী, সাদির মান্দি, মণিপুরী (বিষ্ণপুরিয়া), মার্মা, ম্রো, মান্দারাই, রাখাইন, সান্ততাল, তঞ্চঙ্গা, ককবোরোক, ফারসি, উসাই, তেলেগু, উর্দু, মাড়ওয়ারী, কুরুক, গুড়িয়া, পানখোয়া, ভোজপুরী ও কামতাপুরী। মঙ্গলবার বিকালে ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হলে মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির প্রশ্নের জবাবে টেবিলে উপস্থাপন করা প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী সংসদকে এ কথা জানান। এদিকে নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ আসার সংখ্যা শতকরা সাত ভাগ হ্রাস পেয়েছে। এরপরও আমদানি ও রফতানির ক্ষেত্রে তেমন কোন প্রভাব পড়েনি। অপরদিকে আগামী ১৩ এপ্রিল পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনালে মালামাল উঠানামা শুরু হবে। মোহাম্মদ শাহআলমের প্রশ্নের জবাবে নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান জানান, চলতি বছরের মধ্যেই ছয়টি ওয়াটার বাস চলাচল শুরু করবে। এগুলো আপাতত সদরঘাট-গাবতলী-আমিনবাজার ররুটে চলবে। তবে সদরঘাট থেকে গাবতলী, রূপগঞ্জ, আশুলিয়া হয়ে টঙ্গী রুটে পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত রয়েছে। পিনু খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, মংলা বন্দর উন্নয়নে অনুমোদনপ্রাপ্ত ৩৫৮ কোটি ১১ লাখ টাকার নয়টি প্রকল্প রয়েছে। ইতিমধ্যে পাঁচটি প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে। অপর প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এছাড়া আগে অনুমোদন করা চারটি প্রকল্পের অনুকূলে ৬৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এম আবদুল লতিফের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ২০১১ সালের তুলনায় গত বছর চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য আমাদনি-রফতানি কমেছে ২ দশমিক ৮১ ভাগ। তবে কন্টেইনার আমদানি বেড়েছে ১ দশমিক ০৩ ভাগ। জাহাজ আসার সংখ্যা কমেছে শতকরা ৭ ভাগ। এরপরও আমদানি ও রফতানির ক্ষেত্রে তেমন কোন প্রভাব পড়েনি। সাধনা হালদারের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, আগামী ১৩ এপ্রিল থেকে পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনালে মালামাল উঠানামার কাজ চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। মসজিদ-মন্দির সংস্কার: বেনজীর আহমদের প্রশ্নের জবাবে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া জানান, বর্তমান সরকার চার বছরে সারাদেশে মসজিদ ও মন্দির সংস্কারসহ মেরামত করার জন্য ২৯ কোটি ৩৭ লাখ ৩৮ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে মসজিদের জন্য ২৫ কোটি এক লাখ ৩৮ হাজার টাকা। মন্দিরের জন্য দেয়া হয়েছে চার কোটি ৩৬ লাখ টাকা।