মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলা
কামারুজ্জামানের পক্ষে সাফাই
সাক্ষ্য
প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০১৩, ২২:০৬
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের পক্ষে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ প্রথম সাক্ষী হিসাবে সাক্ষ্য দেন শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি থানার বেনুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আরশেদ আলী।
ট্রাইব্যুনালে দেয়া জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ১০ শ্রাবণ পাকিস্তান বাহিনীর লোকেরা সোহাগপুর, বেনুপাড়া, কাকরকান্দি গ্রামে গণহত্যা চালায়। আমার পিতা একাব্বার আলী সেদিন শাহাদাত বরণ করেন। তিনি বলেন, সকাল আটটা থেকে সাড়ে আটটার দিকে আমাদের বাড়িতে পাকিস্তানি সেনারা এসে বাবাকে গুলি করে হত্যা করে। বাবাকে গুলি করতে দেখে আমি বাড়ির পশ্চিম-দক্ষিণদিকে সিংহিমাড়ি খালের মধ্যে আশ্রয় নেই। সন্ধ্যার পূর্বে খবর পাই পাকিস্তানি সেনারা চলে গেছে। তখন আমি বাড়িতে ফিরে বিক্ষিপ্ত অবস্থায় ছড়ানো অনেক লাশ দেখতে পাই। এর মধ্যে আমার বাবার লাশও ছিল। তিনি বলেন, তখন ফসি চেয়ারম্যান, নজির মাষ্টার, কাদির ডাক্তার, নসা গংদের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণে তারা আমাদের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে চাইতো। এরা সবাই পাকিস্তানি বাহিনীর দালাল ছিল। তারাই পাকিস্তানি বাহিনীকে প্রভাবিত করে এই ঘটনা ঘটিয়েছিল। জবানবন্দি শেষে তাকে জেরা করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মোহাম্মদ আলী।