বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভে রেকর্ড

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে আবারো রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয় হয়েছে। মঙ্গলবার দিন শেষে এ পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪১০ কোটি ৫০ লাখ ডলার। রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, রফতানি ভাল হওয়া, আমদানি কমে যাওয়ায় রিজার্ভের এ পরিমাণ বেড়েছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে। জানা গেছে, ২০১১ সালের ডিসেম্বর শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৯৬৩ কোটি ডলার। ২০১২ সালের ডিসেম্বর শেষে তা প্রায় ৩০০ কোটি ডলার বা শতকরা ৩২ ভাগ বেড়ে যায়। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের শুরুতে রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে এক হাজার ৩০৫ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। মঙ্গলবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ এক হাজার ৪১০ কোটি ৫০ লাখ হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন রিজার্ভ এন্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের মহাব্যস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ২০১২ সালে প্রবাসীরা এক হাজার ৪১৭ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৮ শতাংশ বেশি রেমিটেন্স এসেছে। আর গতবছরে আমদানিও কমেছে যথেষ্ট পরিমাণে। চলতি অর্থ বছরের প্রথম সাত মাসে আমদানি দ্রব্যের ওপর ঋণপত্র নিষ্পত্তি হয়েছে এক হাজার ৮৭২ কোটি ৫ লাখ মার্কিন ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল দুই হাজার ১০৮ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। সে হিসাবে আমদানি কমেছে ২৩৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলার বা ১১ দশমিক ২২ শতাংশ। একই সঙ্গে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রফতানি আয় না বাড়লেও গত বছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়ে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে রফতানি আয় ৭ শতাংশ বেড়েছে বলে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিসংখ্যান দেখা গেছে। এসব কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।