শরীয়তপুর-খুলনা-চট্টগ্রাম যান চলাচল বন্ধ

চট্টগ্রাম-খুলনা-শরীয়তপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের একটি সেতু ভেঙ্গে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। শরীয়তপুর সদর উপজেলার আমিন বাজার এলাকায় বিকল্প সড়কের বেইলী সেতুতে অতিরিক্ত মাল বোঝাই ট্রাক উঠলে বুধবার ভোররাতে তা ভেঙ্গে পড়ে। বেইলী সেতুটির স্থানে বিকল্প সড়ক তৈরি করে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে ৩ থেকে ৪ দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ। শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগসূত্র জানায়, সাময়িক রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম-খুলনা- শরীয়তপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের আমিন বাজার এলাকায় একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। ১০ ফুট দৈর্ঘ্য ৩৪ ফুট প্রস্থ কালভার্টটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৫ লাখ টাকা। গত আগস্ট মাসে ডো এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে কালভার্ট নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়। যানবাহন চলাচলের জন্য একটি বেইলী সেতু স্থাপন করা হয়। বুধবার ভোররাতে সিমেন্ট বোঝাই একটি ট্রাক বেইলী সেতুতে উঠলে পাত ভেঙ্গে ট্রাকটি আটকে যায়। তখন থেকেই এ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। চট্টগ্রামের সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পণ্য ও যাত্রীবাহী শত শত ট্রাক আটকে পড়ে। বুধবার সকালে আমিনবাজারে গিয়ে দেখা যায়, বেইলী সেতু থেকে ট্রাকটির সিমেন্ট নামানোর কাজ চলছে। ঠিকাদারের শ্রমিক ও সড়ক বিভাগের কর্মীরা সড়কের পাশ দিয়ে বিকল্প রাস্তা তৈরি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ট্রাকচালক মিজানুর রহমান বলেন, কালভার্ট নির্মাণ করার স্থানে বিকল্প রাস্তা তৈরি না করে একটি ঝুঁকিপূর্ণ বেইলী সেতু স্থাপন করা হয়েছিল। গাড়িসহ সেই সেতু ভেঙ্গে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বিকল্প রাস্তা তৈরি করা হলে এ সমস্যার সৃষ্টি হতো না। শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম ইকবাল হোসেন বলেন, কালভার্ট নির্মাণ করার কারণে যানবাহন চলাচলে যাতে বিঘ্ন সৃষ্টি না হয় সেজন্য বিকল্প সড়ক নির্মাণ করতে হয়। স্থানীয় মানুষের সহযোগিতা না পাওয়ায় বিকল্প রাস্তা তৈরি করা যায়নি। একটি বেইলী সেতু স্থাপন করে সড়কটি চালু রাখা হয়। অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাক উঠার কারণে সেই সেতুটি ভেঙ্গে পড়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।