অর্থ আত্মাতের অভিযোগে কাবুল ব্যাংকের দুই কর্মকর্তার ৬১৮ মিলিয়ন ডলার জরিমানা
প্রকাশ : ০৮ মার্চ ২০১৩, ১৫:২৪
আফগানিস্তানের কাবুল ব্যাংকের সাবেক দুই প্রধানের ৫ বছর করে জেল হয়েছে। জালিয়াতি করে কোটি কোটি ডলার আত্মসাতের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এই রায় দিয়েছে কাবুল ব্যাংক বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ২০১০ সালে ব্যাংকটি প্রায় বন্ধ হতে যাচ্ছিল। পরে আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাবুল ব্যাংক আত্মীকরণ করে। কাবুল ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা শেরখান ফারনুদ এবং সাবেক প্রধান নির্বাহী খায়রুল্লাহ ফেরুজি জালিয়াতি করে কোটি কোটি ডলার আত্মসাত্ করেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, কাবুল ব্যাংক কেলেঙ্কারির ঘটনা পুরো আফগানিস্তানের অর্থনীতির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ব্যাংক খাতের অন্যতম বৃহত্ এ কেলেঙ্কারির ঘটনায় হতবাক দাতাগোষ্ঠী। আফগানিস্তানের পুরো অর্থনীতিতে এ ব্যাংকের ভূমিকা ৫ ভাগ। যে অর্থ তারা চুরি করেছে ঠিক সে পরিমাণ অর্থ জরিমানা করা হয়েছে তাদের। ফারনুদকে ৮৮ মিলিয়ন ডলার আর ফেরুজিকে ৫৩০ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া আরো ২১ জন কর্মকর্তাকে ২-৫ বছর মেয়াদি সাজার আদেশ দেয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে কয়েকজন বিদেশে পালিয়ে গেছেন। এদের একজন হলেন আফগানিস্তান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক প্রধান আবদুল কাদের, যিনি ২০১১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। ২০০৪ সালে ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠা করেন আন্তর্জাতিক পোকার খেলোয়াড় শেরখান ফারনুদ। ২০১২ সালে অডিট রিপোর্টে বেরিয়ে আসে দুর্নীতির বিষয়টি। রাজনৈতিক ক্ষমতাশালী মাত্র ২১ জনই ব্যাংক থেকে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নিয়েছেন।