সপ্তাহের বিশেষ প্রতিবেদন

ইতিহাসের সারথি এনায়েত কবীর

‘মানুষের জীবনে আগামীকাল বলে কিছু নেই। আগামীকাল হচ্ছে পরবর্তী প্রজন্মের। আজ হচ্ছে আমার। এই সময়টাকে ব্যবহার করতে হবে এবং সংরক্ষণ করতে হবে- যা ভবিষ্যত্ প্রজন্মের এগিয়ে যেতে কাজে লাগবে- সারাজীবনে এই কথাটাই আমার প্রেরণা।’ বলছিলেন এ কে এম এনায়েত কবীর। সেই প্রেরণাতেই তিনি যা আজকের জন্য সাধারণ কিন্তু পরবর্তী সময়ের জন্য দুষ্প্রাপ্য সেই দৈনিক সংবাদপত্র সংরক্ষণ করেছেন। শুনতে খুব সাধারণ মনে হলেও চমকে যেতে হয় যখন জানতে পারি যে, সংবাদপত্র সংরক্ষণের সময়কাল ১৯৬৮ সাল থেকে ২০১২। ভাবা যায়! শুধু কি দৈনিক পত্রিকা, বাংলাদেশ রাষ্ট্র জন্মের পর প্রতিটি সরকার প্রধানের যাবতীয় কর্মকাণ্ড ধারাবাহিকভাবে সংরক্ষণ করেছেন তিনি। রয়েছে আরো আরো সংগ্রহ। নিভৃতচারী এক সংগ্রাহক :প্রায় অর্ধ শতকের সামাজিক পরিবর্তনের ইতিহাস লুকিয়ে আছে এই তথ্যের জগতে। ৪৫ বছরের সাধনায় গড়ে উঠেছে বিশাল এ তথ্যভাণ্ডার। এনায়েত কবীর বলছিলেন, ‘সময়টাই আমার জীবনের প্রধান বিনিয়োগ। আর ছিল দেশের প্রতি ভালোবাসা। ইচ্ছা ছিল এমন কিছু একটা করবো যা মানুষের কাজে আসবে। এই যে বিশাল সংগ্রহশালা এটা পড়তে পড়তে কিনতে কিনতে জমতে শুরু করে। ছয়-সাত বছর ধরে জমার পর ফেলতে মায়া হলো। ব্যাস শুরু হয়ে গেল সংরক্ষণ করা।’ উত্তরার ছয় নম্বর সেক্টরে প্রায় ছয় হাজার বর্গফুট জুুড়ে সারি সারি তাক, সেখানে জমা করে রেখেছেন দৈনিক পত্রিকা, ম্যাগাজিন, পেপার কাটিং, ছবি আরো নানা কিছু। এই প্রাণিত, উজ্জীবিত মানুষটির সঙ্গে কথা বলতে শুরু করলে সময় থমকে থাকে। কিন্তু কথা ফুরোয় না। বাষট্টি বছর বয়সেও টগবগে তরুণের মত শাণিত তার উচ্চারণ। অকপট, নির্লোভ, নিরাভরণ একজন মানুষ। বললেন, ‘তরুণরাই আমাদের ভরসা। যে যাই বলুক সবকালে, সবদেশে তরুণরাই রাষ্ট্রের উন্নতির দায়িত্ব নিয়েছে। এখন সবাই বলতে থাকে তরুণরা উচ্ছন্নে গেছে। আমি তা বিশ্বাস করি না। তরুণরা ঠিক সময়েই তাদের দায়িত্ব বুঝে নেবে। আমাদের অর্থাত্ পূর্ববর্তী প্রজন্মকে তার জন্য কাজ করে যেতে হবে। আমার সকল প্রচেষ্টা শুধু ভবিষ্যত্ প্রজন্মের কথা চিন্তা করেই।’ সারি সারি র্যাকে বাধাই করা পত্রিকায় ঠাসা। পলিথিন দিয়ে মুড়িয়ে বই-পত্রপত্রিকা সংরক্ষণ করা হয়েছে। প্যাকেটে রয়েছে সিরিয়াল নম্বর। যে কোন বই-পত্রপত্রিকা মাত্র পাঁচ মিনিটে বের করে দেয়ার সহজ পদ্ধতি রয়েছে। সংগ্রহশালার এ উদ্যোগ সম্পর্কে এনায়েত কবীর বলেন, ‘এটা এমন একটা তথ্যভাণ্ডার যা থেকে আগামী প্রজন্ম উপকৃত হবে। জ্ঞানচর্চার কেন্দ হবে একটা। গবেষণার মাধ্যমে তারা সঠিক ইতিহাস লিখবে।’ নিজের সংগ্রহশালার ভেতরে ঘুরতে ঘুরতে এনায়েত কবীর বলছিলেন, ‘ইতিহাস কখনো বিকৃত করা যায় না। কোথাও না কোথাও সত্যের উপাদান লুকিয়ে থাকে। তা একসময় প্রকাশ পাবেই। এখন তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। কোনকিছুই গোপন নয়। সবকিছুই জমা হচ্ছে ভার্চুয়াল ভাণ্ডারে। কিন্তু আমাদের সময়টায় এ সুযোগ ছিল না। সে কারণেই এই ডকুমেন্টগুলো দেশের ইতিহাসের সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় উপাদান হিসাবে কাজে লাগবে’। অপমানই ঘুরে দাঁড়ানোর প্রেরণা :বাবা আলী আকবর খান ছিলেন সরকারি চাকরিজীবী। তিনি পড়াশোনা করতেন সেন্ট জোসেফ স্কুলে। সেই ষাটের দশকে তাদের ক্লাসে বাঙালি ছাত্র ছিলেন মাত্র নয়জন। বাকি সবাই অবাঙালি এবং ধনী পরিবারের সন্তান। ফলে বাঙালি ছেলেরা স্বাভাবিকভাবেই অবাঙালিদের কাছে অপাংক্তেয় ছিল। এনায়েত কবীর বললেন, “অবাঙালি ছেলেরা আমাদের তেমন একটা পাত্তা দিত না। একে তো আমরা সাধারণ পরিবারের সন্তান। এছাড়া লেখাপড়াতেও খুব যে এগিয়ে ছিলাম তা না। এই সময় রিডার্স ডাইজেস্ট পড়তে শুরু করি। দেখি যে, আমার পড়াশোনার স্তর ওদের থেকে বাড়তে থাকে। কখনো কখনো আমি ওদের চাইতে ভালো করতে থাকি। অন্য সময় ‘সালা বাঙাল’ বলে গালি দিলেও যখন আমি লেখাপড়ায় ভালো করতে থাকি তখন সবাই সমীহ করতে শুরু করে। আমি উপলব্ধি করি ওদের টাকা আছে কিন্তু তারা আমার জ্ঞানটাকে দাম দিচ্ছে। আমার তৃষ্ণা বাড়তে থাকে।” এই যে স্কুলের পড়াশোনার বাইরে বাড়তি জানার মূল্য পেতে শুরু করলেন এটাই তার প্রেরণা হয়ে দেখা দিল। পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে এগিয়ে যান এনায়েত। একদিকে স্কুলের পড়া অন্যদিকে বইয়ের পাতায় বাইরের জগতের ডাক। মোহময়তায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন কিশোর এনায়েত। টিফিন আর ঈদে জামা-প্যান্ট কেনার টাকা বাঁচিয়ে অল্প অল্প করে বই আর পত্রপত্রিকা সংগ্রহ শুরু হলো। ১৯৬৫ সাল থেকে সংগ্রহ শুরু হলেও অষ্টম শ্রেণীতে পড়ার সময় (১৯৬৮ সাল) থেকে রিডার ডাইজেস্টের নিয়মিত গ্রাহক হন তিনি। এর মধ্যে দৈনিক ইত্তেফাক-এর প্রতিষ্ঠাতা তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার (বড় খালু) বাসায় টাইম পত্রিকার প্রতি নজর পড়ে তাঁর। ওই পত্রিকা থেকে ছবি কেটে ক্লিপিংস সংরক্ষণ শুরু করেন। অষ্টম শ্রেণীতে থাকাকালেই বাসার একটি আলমারি ভরে যায় পত্রিকা ও বইপত্রে। এভাবেই জমা হতে থাকে দেশ-বিদেশের তথ্য। সংগ্রহশালা: ইতিহাস রক্ষায় প্রয়োজনীয় উপাদান :উত্তরার আজমপুরে নিজ বাড়িতে এনায়েত কবীরের এ সংগ্রহশালা। তার ছয়তলা ভবনের দোতলার প্রায় পুরোটা জুড়েই এ সংগ্রহশালা। এখানে রয়েছে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস। রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের আগে-পরের নানা ঘটনার পেপার কাটিং। রাজনৈতিক পালাবদল আর রাজনৈতিক নেতাদের আলোচিত খবরের ভাণ্ডারও সংরক্ষিত রয়েছে এখানে। দেশি-বিদেশি বই, পত্রপত্রিকা, ম্যাগাজিন, আলোকচিত্র, ভিডিওসহ দুর্লভ সব তথ্যে দিনে দিনে সমৃদ্ধ হয়েছে এনায়েত কবীরের তথ্যজগত্। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে প্রকাশিত অধিকাংশ বই সংরক্ষণ করা হয়েছে এখানে। ইতিহাস, রাজনীতি, বিশ্বখ্যাত রাজনীতিকদের জীবনী, আর্থসামাজিক উন্নয়নবিষয়ক বই রয়েছে। প্রজন্মের পর প্রজন্মের গবেষণার জন্য গবেষণাধর্মী বই সংরক্ষণের ওপর বেশি নজর দেয়া হয়েছে। বইয়ের সংখ্যা আট হাজারের বেশি। ম্যাগাজিন রয়েছে ৭০ হাজার। দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা দেড় লাখের ওপর। আর বিভিন্ন বিষয়ে সংবাদ ক্লিপিং সংখ্যা প্রায় সাড়ে ছয় লাখ। সংগ্রহশালায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে দেশের দৈনিক পত্রিকা এবং বিভিন্ন ধরনের ম্যাগাজিন সংগ্রহের ওপর। ১৯৬৮ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রতিদিন প্রকাশিত বারোটি দৈনিকের প্রতিটি সংখ্যা রয়েছে এনায়েত কবীরের সংগ্রহশালায়। দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক পাকিস্তান, পাকিস্তান অবজারভার, দৈনিক আজাদ, দৈনিক সংবাদ, দৈনিক সংগ্রাম, ঢাকা টাইমস, জাহানে নওসহ অনেক পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা রয়েছে। মওলানা ভাসানীর হক কথা, জহির রায়হানের এক্সপ্রেসসহ ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত প্রকাশিত অধিকাংশ ট্যাবলয়েড পত্রিকা রয়েছে। ব্যবহারের সুবিধার জন্য প্রায় ৫০টি বিভাগে বিষয়ভিত্তিক সংবাদ ক্লিপিংস সংরক্ষণ করা হয়েছে। এতে রয়েছে রাজনৈতিক, আর্থসামাজিক, ব্যবসা-বাণিজ্য, সংস্কৃতি, রাজনৈতিক নেতাদের বক্তৃতা-বিবৃতিসহ বিভিন্ন বিষয়ের খবর। রয়েছে বিদেশি পত্রিকার মধ্যে রিডার্স ডাইজেস্ট, ন্যাশনাল জিওগ্রাফি, লাইফ সিরিজের দুর্লভ সংগ্রহ। তবে সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলো সংগ্রহ করা তিনি বন্ধ করে দিয়েছেন। দৈনিক পত্রিকার সংগ্রহ চালু রেখেছেন। সংবাদপত্র সংগ্রহেই শেষ নয় :এনায়েত কবীরের নিজের তোলা প্রায় ৩৭ হাজার আলোকচিত্র রয়েছে। নিজের, পরিবারের, আত্মীয়-স্বজনের প্রত্যেকের ধারাবাহিক বয়সের ছবি তিনি সযত্নে সংগ্রহে রাখেন। এছাড়া বিশ্বের ৩৪টি দেশে তিনি ভ্রমণ করেছেন সেসব ভ্রমণের ধারাবাহিক বিবরণ ও ছবিও তিনি সংগ্রহ করেন যত্নের সঙ্গে। ১৯৯১ সালে শুরু করেন ভিডিওচিত্র ধারণ। এতে রয়েছে সমাজ ও জীবনের ছবি। বই আর পত্রপত্রিকার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের ৬৫ হাজার ডাকটিকিট, ছয় হাজার ভিউ কার্ড, চার হাজার টেলিফোন কার্ড, দেড় হাজার ব্যাংক নোট, পাঁচ হাজার মুদ্রা, দুই হাজার পোস্টার, তিন হাজার রাজনৈতিক লিফলেট, আড়াই হাজার চাবির রিং, এক হাজার দেশলাই, বিভিন্ন দেশের ওয়াইন ও লিকারের বোতল, শত শত পুতুল, দুই হাজার সিগারেট লাইটারসহ বিভিন্ন সামগ্রী সংগ্রহশালাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। সম্মাননা ও বিশিষ্টজনদের স্বীকৃতি :দুর্লভ এই সংগ্রহশালার খবর কাউকে জানাতে আগ্রহী নন এনায়েত কবীর। নিভৃতেই চলেছে তার সংগ্রহের পরিমাণ। তার পরও অনেকেই জানেন এ উদ্যোগের কথা। মুক্তিযুদ্ধসহ ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণ ও জ্ঞান বিকাশে অবদানের জন্য মিলেছে স্বীকৃতি, পেয়েছেন বিশিষ্টজনদের প্রশংসা। তিনি শেরেবাংলা স্মৃতি সম্মাননা পদক ২০১০, মাদার তেরেসা গুণীজন স্বর্ণপদক ২০১০, বঙ্গবন্ধু স্মৃতিপদক ২০১০ ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি সম্মাননা ২০১১, রাজশাহী জাতীয় ছোটকাগজ মেলা ২০১২’র শ্রেষ্ঠ গবেষকের সম্মান অর্জন করেছেন। এছাড়া সাহিত্যিক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, খন্দকার মাহবুব হোসেন, দৈনিক ইত্তেফাক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সাবেক সচিব সৈয়দ মার্গুব মোরশেদ, সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদসহ অনেকেই তথ্যভান্ডার ঘুরে গেছেন। এঁরা প্রত্যেকেই এ তথ্যভাণ্ডারকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানালেন সংগ্রাহক এনায়েত কবীর। আগামীর স্বপ্ন : এনায়েত কবীর বললেন, সংগ্রহশালাটি উন্মুক্ত না হলেও কেউ তথ্য চাইলে সহযোগিতা করা হয়। তবে খুব শিঘ্রি গবেষকদের তথ্য দেয়ার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলা হবে। এখন ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য ছবি প্রদান করে থাকেন। এখানকার তথ্য নিয়ে নির্মিত হয়েছে একাধিক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র। ‘দেখুন বাঙালি জাতির একটা অস্থির, অশান্ত সময়ের তথ্য আমি সংগ্রহ করেছি। মুক্তিযুদ্ধে পুরো দেশ লণ্ডভণ্ড। তখনকার সময়টাকে পত্রিকা সংরক্ষণ করে ধরে রেখেছি। এটাকে সময়ের দাবি মিটিয়েছি বলতে পারেন। এর বেশি কিছু না। যদি কেউ এসব সংরক্ষণকে কাজে লাগাতে চায়, গবেষণা করে- তখনই আমার সার্থকতা। এর জন্য খুব বিশাল কোন প্ল্যান নেই। তবে এটা আমি যখন থাকবো না তখন যাতে তথ্য পাওয়া যায় সে ব্যবস্থা করে যেতে চাই।’ বলছিলেন এনায়েত কবীর। তিনি আরো বলেন, ‘একটা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো করে যেতে চাই। ট্রাস্ট গঠন করে ওয়েবসাইটে যদি সব ডকুমেন্টগুলো স্ক্যান করে সংরক্ষণ করা সম্ভব হয় তবে তো খুবই ভালো। আমি আলোচনা করছি অনেকের সঙ্গে। তবে সরকারি কোন সহযোগিতা নিতে চাই না। সবকিছুতে সরকারের মুখাপেক্ষী হওয়া ঠিক না। কোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করতে পারে। এর বাইরে নয়।’ তিনি বললেন, ‘আমি বিদেশি সংস্থায় চাকরি করেছি। নিজের ব্যক্তিগত সম্পদ বাড়াতে পারতাম। তা না করে সংগ্রহের পেচনে খরচ করেছি। এই বাসায় উঠবার সময় শুধু ২২ লাখ টাকার বাইন্ডিং করেছি। আর কত টাকার যে বই আর পেপার কিনেছি তার হিসেব নেই।’ এক নজরে এনায়েত কবীর : ১৯৫২ সালের ৪ জুন এনায়েত কবীর জন্মগ্রহণ করেন ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার গৌরীপাশা গ্রামে। বাবা প্রয়াত আলী আকবর খান নারায়ণগঞ্জের সার্কেল অফিসার ছিলেন। তার চার বোন, এক ভাই। কর্মজীবনে ১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত বিদেশি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন তিনি। বিশ্বের ৩৪টি দেশ ভ্রমণ করেছেন। ঘুরেছেন বাংলাদেশের আনাচ-কানাচে। তার দুই ছেলে আর এক মেয়ে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। বাকি জীবনটা নিজের সংগ্রহ জগত্ আর ভ্রমণের মধ্য দিয়েই কাটাতে চান এনায়েত কবীর।