রাবিতে তিনটি শিশু পার্কই পরিত্যক্ত

শিশুর পড়াশোনার পাশাপাশি প্রয়োজন সুস্থ বিনোদন ও খেলাধুলার। এজন্য চাই পর্যাপ্ত খেলার মাঠ ও শিশুপার্ক। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শিশুদের জন্য ১৯৬৫ সালে তিনটি শিশুপার্ক নির্মিত হলেও বর্তমানে সবগুলোই পরিত্যক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা ফটক দিয়ে প্রবেশের পর একটু সামনে এগিয়ে বামদিকে তাকালে চোখে পড়ে দুই একর বিশিষ্ট একটি শিশুপার্ক। এটি কিছুটা ব্যবহার করা গেলেও বিনোদপুর ফটক সংলগ্ন এবং শিক্ষকদের আবাসিক এলাকায় অবস্থিত পার্ক দুটি সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাজলা ফটক সংলগ্ন পার্কটিতে কয়েকজন শিশু রিংয়ে ঝুলছে। পাশেই কয়েকটা ছাগল ঘাস খাচ্ছে এবং একজন লোক ঘাস কাটছে। দোলনার স্ট্যান্ড ভাঙ্গা, মরিচা ধরেছে প্রতিটি সরঞ্জামে। ছয়টি দোলনা, কয়েকটি স্লিপার থাকলেও তা একটি পার্কের জন্য পর্যাপ্ত না হওয়ায় এর ব্যবহার অনেক কম। প্রায় পাঁচ দশক আগে নির্মিত হলেও আজ অবধি নেই পার্কটির আকর্ষণীয় কোন ফটক, এমনকি নেই কোন নামফলকও। আর এই পরিচর্যাহীন শিশুপার্কের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থানরত শিশুরা হয়ে পড়েছে গৃহবন্দি । বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রহিম বলেন,এর জন্য আলাদা কোন অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয় না অন্যান্য খাতে থেকে এর সংস্কার করা হয়। কিন্তু সংস্কারের দুই-তিন মাসের মধ্যে আগের অবস্থায় ফিরে যায়। শিশুদের অভিভাবকরা যদি পার্কটির সমস্যার কথা তুলে ধরে আবেদন করেন তাহলে এর জন্য আলাদা বরাদ্দ দেয়া যাতে পারে বলে জানান অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম। তবে শেষ কবে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল তা তিনি জানাতে পারেননি।