লেনদেন খরায় চিন্তিত বিনিয়োগকারীরা

রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা আর বিনিয়োগকারীদের আস্থা সঙ্কটে শেয়ারবাজারে লেনদেন খরা তীব্র হয়ে উঠেছে। লেনদেন কমে যাওয়ায় শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শেয়ারবাজারের বর্তমান মন্দা পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে আস্থার সঙ্কট দূর করা প্রয়োজন। পাশাপাশি তারল্য সঙ্কট দূর করতেও পদক্ষেপ নেয়া দরকার। গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ১৭৭ কোটি টাকা। গত তিন বছরের মধ্যে ডিএসইতে দুইশত কোটি টাকার নিচে লেনদেন হওয়ার ঘটনাও খুব কম। তবে গত কয়েক মাসে অনেক দিনই দুইশত কোটি টাকার নিচে লেনদেন হয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীরা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৪০ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৭৯১ পয়েন্টে নেমে এসেছে। আর সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে ৪০ পয়েন্ট। ডিএসই- ৩০ মূল্যসূচক ৯ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩৮২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসই’র মোট ২৬৪টি কোমপানির ৪ কোটি ৬৭ লাখ ৮০ হাজার ৫৩২টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট হাত বদল হয়েছে। আর লেনদেন হয়েছে ১৭৭ কোটি ২৪ লাখ ১৯ হাজার ১৫০ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৬৪টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৪২টির, কমেছে ২০৪ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কোম্পানির শেয়ারের। গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক ১৫২ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৮৩৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর সিএসই-৩০ মূল্যসূচক কমেছে ৬৩ পয়েন্ট। এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৩৫ লাখ ৬৮ হাজার ১৬৪ টাকা। লেনদেনকৃত ১৬৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ১৪২টির, বেড়েছে ২১টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৬টি কোম্পানির শেয়ারের দর। ডিএসই জানিয়েছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক জানিয়েছে, কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর, ২০১২ তারিখে সমাপ্ত অর্থ বছরের জন্য ১৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়ার সুপারিশ করেছে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ মার্চ। সমাপ্ত অর্থ বছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় ২ টাকা ৭৩ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১৬ টাকা ৮৬ পয়সা।