জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের রিটের শুনানি ৯ এপ্রিল

জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়েরকৃত রিট শুনানির জন্য ৯ এপ্রিল দিন ধার্য করেছে হাইকোর্ট। বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি কাজী রেজা-উল-হককে নিয়ে গঠিত বৃহত্তর বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ দিন ধার্য করেন। এই রিটটি গত বৃহস্পতি ও রবিবার বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন ও বিচারপতি কাজী রেজা-উল-হকের বেঞ্চে শুনানির জন্য তোলা হলেও ‘সাংবিধানিক ও আইনগত’ বিষয় জড়িত থাকায় তারা বিষয়টি বৃহত্তর বেঞ্চে শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠান। গত রবিবার প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন এ বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করেন। গতকাল ওই বেঞ্চের কার্যক্রম শুরু হলে জামায়াতে ইসলামীর আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ২০০৯ সালে এই রিট আবেদনের ওপর হাইকোর্ট রুল জারি করেছিলো। ইতিমধ্যে কয়েকবার দলটির গঠনতন্ত্রে পরিবর্তনও আনা হয়েছে। তিনি বলেন, আমার মক্কেলরা (জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ) কারাগারে রয়েছেন। তাদের সঙ্গে এ মামলার ব্যাপারে পরামর্শ করা প্রয়োজন। এছাড়া জামায়াতের কার্যালয়ও অনেকদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। রুলের জবাব দাখিলের জন্য নথিপত্র প্রয়োজন। তাই কোর্টের অবকাশের পূর্বে রুলের জবাব দাখিল করা সম্ভব নয়। এজন্য চার সপ্তাহ সময় প্রয়োজন। এ সময় আবেদনের বিরোধিতা করে রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর বলেন, এই রিট মামলায় ২০০৯ সালে রুল জারি করা হয়েছিলো। তাই দ্রুত রুলের চূড়ান্ত শুনানি শুরু করা দরকার। শুনানি শুরু হলে পরে মামলাটি আংশিক শ্রুত হিসাবে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এরপর আদালত সময় মঞ্জুর করে ৯ এপ্রিল রুলের চূড়ান্ত শুনানির দিন ধার্য করে দেন এবং এ সময়ের মধ্যে ব্যারিস্টার রাজ্জাককে রুলের জবাব দাখিল করতে বলেন। এছাড়া নির্বাচন কমিশন যদি চায় তাহলে তারা রুলের জবাব দাখিল করতে পারে বলে মত দেন হাইকোর্ট। বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, জাকের পার্টির মহাসচিব মুন্সি আবদুল লতিফ, সম্মিলিত ইসলামী জোটের প্রেসিডেন্ট জিয়াউল হাসানসহ ২৫ জন জামায়াতের নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট আবেদনটি করেন।