ঢা কা ক মা র্স ক লে জ
নতুন আর পুরনোদের মিলন মেলা
প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০১৩, ১৭:৪৩
সকাল আটটা বেজে ত্রিশ মিনিট। কলেজ ক্যাম্পাসে আগমন হচ্ছিল একের পর এক ছাত্র-ছাত্রীর। কারো কোলে, কারো হাতে তাদের নবপ্রজন্ম। ধীরে ধীরে কলেজ ক্যাম্পাসের ভিআইপি অডিটরিয়াম মুখরিত হয়ে উঠে। বড়দের পাশাপাশি ছোটদের হৈহৈ রব উল্লাস, এদিক ওদিক ছোটাছুটি, বেলুন নিয়ে কাড়াকাড়ি-সব মিলিয়ে এক আনন্দ উত্সবের আমেজে ভরে উঠতে থাকে কলেজের এই ছোট্ট আঙ্গিনাটি। বিভাগের পুরনো সকল ছাত্র-ছাত্রীকে একত্রিকরণের এক জাঁকজমকপূর্ণ মিলন মেলার আয়োজন করা হয় গত পহেলা মার্চ শুক্রবার। এতে ঐ বিভাগের নতুন-পুরনো সকল ছাত্র-ছাত্রীর আগমনের পাশাপাশি, কলেজের গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান সফিক আহমেদ সিদ্দিক স্যার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করেন। এছাড়া কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষদ্বয় এবং ঐ বিভাগের চেয়ারম্যানসহ সকল শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরো আড়ম্বর করে তোলে। প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে সফিক আহমেদ সিদ্দিক বলেন, আমি বেশ আনন্দিত। এক সময়ে যে বিদ্যাপিঠে তোমরা পড়াশোনা করেছো, আজ সেই কলেজ আঙ্গিনায় তোমাদের পদচারণার সঙ্গি হয়েছে তোমাদের ভবিষ্যত্ প্রজন্ম।
এই বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান এবং শিক্ষার্থী উপদেষ্টা মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ্ বলেন, অর্থনীতি বিভাগ থেকে যারা পাশ করে গেছে এবং যারা পড়ছে তাদের সকলেই কোন না কোন এক জায়গাতে বেশ দক্ষতার পরিচয় রাখছে। আজ যখন ছাত্র-ছাত্রীদের সন্তানরা এসে সালাম দিচ্ছে, দোয়া নিচ্ছে-সত্যি অনেক ভালো লাগছে। শুধু স্যাররাই নয়, পুনর্মিলন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসে নতুন-পুরনো ব্যাচের সকল ছাত্রের অনুভূতিও ছিলো বেশ আনন্দদায়ক। অনুষ্ঠানের শেষ সময়ে এসে ইকোনমিক্স অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হেমন্ত কুমার ঘোষণা করেন, আপনাদেরকে কাছে পেয়ে আমরা সত্যি আনন্দিত হলাম।
সবার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। সবার ভালোবাসা আমাদেরকে মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে স্যার-ম্যামদের স্নেহ-মমতা আমাদেরকে অভিভূত করেছে। আশা করি প্রতি বছর আমরা এই প্রোগ্রাম আয়োজনে আজকের মতোই সকলে এক হয়ে কাজ করবো। অনুষ্ঠানকে আরো প্রাণবন্ত করতে র্যাফেল ড্র-এর আয়োজন করা হয়। এতে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড-এর পক্ষ থেকে প্রথম পুরস্কারসহ সর্বমোট ২০টি পুরস্কার দেয়া হয়।