মেধাবীদের গল্প
‘গ্রুপ করে পড়াশুনা করতাম’
প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০১৩, ১৭:৪৫
মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মামুন আ. গাইয়ুমের সাথে নামের মিল থাকলেও আজকের মামুন আ. কাইউম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী মুখ। পড়াশুনা করেছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে। নওগাঁর পোরশায় জন্ম নেয়া এই ছেলেটি আদরে আদরেই বড় হয়েছেন। ছোট সময় থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি সহ-শিক্ষামূলক কার্যক্রমে প্রচণ্ড ঝোঁক ছিল তার। সরকারি চাকুরে বাবার স্বপ্ন ছেলে কোন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবে। বাবার চাকরি সূত্রে বিভিন্ন স্থানে পড়াশুনা করলেও নওগাঁর বদলগাছীতে শুরু হয় হাতেখড়ি। বাবা-মা ও শিক্ষকদের অনুপ্রেরণায় পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে মেধাবৃত্তিসহ এসএসসি, এইচএসসি পর্যায়ে ভালো ফলাফলের পর আকাঙ্ক্ষা থেকেই ২০০৬ সালে ভর্তি হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে।
সম্মান প্রথম বর্ষ থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত শতকরা ৯০ শতাংশের বেশি উপস্থিতি এবং বন্ধু ও শিক্ষকদের সহযোগিতায় তিনি অনার্সে মেধা তালিকায় ছিলেন এবং মাস্টার্সে থিসিস গ্রুপ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান লাভ করেন। প্রথম বর্ষ থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত পড়াশুনার পাশাপাশি ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা, বিতর্ক, প্রবন্ধ রচনাসহ বিভিন্ন সহ-শিক্ষামূলক কার্যক্রমে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। পরিবেশ দিবসে জাতীয় প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার পুরস্কার গ্রহণ করেন।
মামুন প্রথম শ্রেণি থেকে সহ-শিক্ষামূলক কার্যক্রমে জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সর্বমোট আটানব্বইটি সনদ অর্জন করেছেন। অনার্স ও মাস্টার্সের রেজাল্টের জন্য লাভ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি বৃত্তি। তাছাড়া অনার্স পর্যায়ে সন্তোষজনক উপস্থিতির জন্যও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেয়েছেন বৃত্তি। দেশি-আন্তর্জাতিক মিলিয়ে তার বই ও প্রবন্ধের সংখ্যা তিনটি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষ থেকেই সাত-আটজন বন্ধুর সাথে গ্রুপ করে পড়াশুনা এবং নিয়মিত ক্লাস করাকেই তিনি তার ভালো ফলাফলের নিয়ামক হিসেবে মনে করেন।