জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা

বাংলা প্রথমপত্র আতাউর রহমান সায়েম সিনিয়র শিক্ষক সেন্ট গ্রেগরিজ হাই স্কুল ,ঢাকা জ্ঞানস্তর ও অনুধাবন স্তর প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, স্নেহসহ আন্তরিক দোয়া রইল। আশা করি- তোমরা সবাই জান যে, জে.এস.সি-র বোর্ড পরীক্ষায় বাংলা প্রথমপত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে বহুনির্বাচনি ও রচনামূলক অংশে লেখক পরিচিতি ও পাঠ পরিচিতি থেকে বেশ কিছু জ্ঞান স্তরের প্রশ্ন আসে। তাই নিম্নের এক কথায় প্রশ্নোত্তরগুলো ভালোভাবে পড়লে তোমাদের অনেক কাজে লাগবে বলে আশা করি। অনুধাবন স্তরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও দেওয়া হলো। অধ্যায় : বাঙালির বাংলা জ্ঞানস্তর: ১১। বাঙালির কী জাগল না বলে দিব্যশক্তি কোনো কাজে লাগল না? উত্তর: বাঙালির ক্ষাত্রশক্তি জাগল না বলে দিব্যশক্তি কোনো কাজে লাগল না। ১২। বাঙালির কিসের আগ্নেয়গিরি, অগ্নি উদিগরণ করল না? উত্তর: বাঙালির চন্দ্রনাথের আগ্নেয়গিরি, অগ্নি উদিগরণ করল না। ১৩। প্রত্যেক মানুষই কী? উত্তর: প্রত্যেক মানুষই ত্রিগুণান্বিত। ১৪। মানুষের ত্রিগুণ কী কী? উত্তর: মানুষের ত্রিগুণ হচ্ছে সত্ত্ব, রজঃ ও তমঃ। ১৫। সর্ব অসত্ শক্তিকে পরাজিত করে কোনটি? উত্তর: সর্ব অসত্ শক্তিকে পরাজিত করে সত্ত্বগুণ। ১৬। সত্ত্বগুণের প্রধান শত্রু কোনটি? উত্তর: সত্ত্বগুণের প্রধান শত্রু তমোগুণ। ১৭। তমঃকে শাসন করতে পারে কে? উত্তর: তমঃকে শাসন করতে পারে একমাত্র রজোগুণে। ১৮। বাঙালির মস্তিষ্ক ও হূদয় কেমন? উত্তর: বাঙালির মস্তিষ্ক ও হূদয় ব্রহ্মময়। ১৯। বাঙালির দেহ ও মন কেমন? উত্তর: বাঙালির দেহ ও মন পাষাণময়। ২০। বাংলার কী নিত্য প্রসন্ন? উত্তর: বাংলার আকাশ নিত্য প্রসন্ন। অনুধাবনমূলক ১। বাঙালি কবে অসাধ্য সাধন করবে? ব্যাখ্যা কর। ২। বাঙালির দিব্যশক্তি তমসাচ্ছন্ন হয়ে আছে কেন? ব্যাখ্যা কর। ৩। বাঙালি কীভাবে তাদের চেতনাশক্তিকে হারিয়ে ফেলেছে? বুঝিয়ে বল? ৪। অবিদ্যা বলতে কী বোঝ? ৫। ‘বাঙালি আজম্ম দিব্যশক্তিসম্পন্ন।’ কথাটি ব্যাখ্যা কর। ৬। ‘সত্ত্বগুণের প্রধান শত্রু তমোগুণকে ক্ষাত্রশক্তি দমন করে।’ ব্যাখ্যা কর। ৭। ‘বাংলার হিমালয়কে তাঁরা সর্ব দৈবশক্তির লীলা-নিকেতন বলেছেন।’ কারা? বুঝিয়ে বল। ৮। বাংলাকে সকল দেশের রানি বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর। ৯। বাঙালিকে মাছে-ভাতে বাঙালি বলা হতো কেন? বুঝিয়ে বল। ১০। বাঙালির দেহ ও মনকে পাষাণময় বলা হয়েছে কেন? ব্যাখ্যা কর। অধ্যায়: পড়ে পাওয়া জ্ঞানস্তর ১। কালবোশেখির ঝড় মানেই কী? উত্তর: কালবোশেখির ঝড় মানেই আম কুড়ানো। ২। কে লেখক ও তাঁর বন্ধুদের সংশয় চিরকাল দূর করে এসেছে? উত্তর: বিধু লেখক ও তাঁর বন্ধুদের সংশয় চিরকাল দূর করে এসেছে। ৩। আম কিসের মতো ঝরছে? উত্তর: আম শিলাবৃষ্টির মতো ঝরছে। ৪। টাকাকড়ি রাখার বাক্সকে পাড়াগাঁয়ে কী বলে? উত্তর: টাকাকড়ি রাখার বাক্সকে পাড়াগাঁয়ে ডাবল টিনের ক্যাশ বাক্স বলে। ৫। ডাবল টিনের ক্যাশ বাক্স কারা কুড়িয়ে পেয়েছে? উত্তর: ডাবল টিনের ক্যাশ বাক্স লেখক ও তাঁর বন্ধু বাদল কুড়িয়ে পেয়েছে। ৬। লেখক ও তাঁর বন্ধুদের গুপ্ত মিটিং কোথায় বসল? উত্তর: লেখক ও তাঁর বন্ধুদের গুপ্ত মিটিং বসল বাদলদের ভাঙা নাটমন্দিরের কোণে। ৭। ঘুড়ির মাপে কাগজ কেটে নিয়ে আসার নির্দেশ কে দিল? উত্তর: ঘুড়ির মাপে কাগজ কেটে নিয়ে আসার নির্দেশ দিল বিধু। ৮। ‘বাবু, ইদিরভীষণ কার নাম?”-এ প্রশ্ন কাকে করা হয়েছিল? উত্তর: ‘বাবু, ইদিরভীষণ কার নাম?”-এ প্রশ্ন লেখককে করা হয়েছিল। ৯। বন্যায় কারা নিরাশ্রয় হলে গেল? উত্তর: বন্যায় অম্বরপুর চরের কাপালীরা নিরাশ্রয় হয়ে গেল। ১০। ভাদুই কুমোর কী চাইতে এসেছে? উত্তর: ভাদুই কুমোর কুয়ো কাটানোর মজুরি চাইতে এসেছে। ১১। “আজ এখানে দুটি ডাল-ভাত খেও।”-এটা কাকে বলা হয়েছে? উত্তর: “আজ এখানে দুটি ডাল-ভাত খেও।”-এটা জনৈক কাপালীকে বলা হয়েছে। ১২। কাপালীর হারানো বাক্সের ভেতর ভেতর নগদ কত টাকা ছিল? উত্তর: কাপালীর হারানো বাক্সের ভেতর নগদ পঞ্চাশ টাক ছিল। ১৩। বিধু ভবিষ্যতে কী হবে বলে সকলের ধারণা? উত্তর: বিধু ভবিষ্যতে উকিল হবে বলে সকলের ধারণা। ১৪। কাপালী লোকটার চোখ দিয়ে কেন জল ঝরতে লাগল? উত্তর: বাক্স ফিরে পাওয়ার আনন্দে কাপালী লোকটার চোখ দিয়ে জল ঝরতে লাগল। ১৫। কতক্ষণের মধ্যে চন্ডীমণ্ডপের সামনে ভিড় জমে গেল? উত্তর: আধঘণ্টার মধ্যে চন্ডীমন্ডপের সামনে ভিড় জমে গেল।