ইসি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনের আল্টিমেটাম

প্রজাতন্ত্রের অধীনে থেকে ২০০৮-এর নিয়োগবিধি বাতিল করে ১৯৭৯-এর নিয়োগবিধিতে যেতে আগ্রহী নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ দাবিতে তারা নানা কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার ইসি সচিবালয়ে আয়োজিত আলোচনাসভায় এ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৮ মার্চ সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে স্মারকলিপি প্রদান, ১৮ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত কালোব্যাজ ধারণ, ২৪ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন ১ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করবেন তারা। দাবি মানা না হলে আরো কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে তারা জানান। একই সঙ্গে তারা অবিলম্বে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন প্রদানের দাবি জানান। সভায় বক্তারা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান এবং এর কর্মচারীরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। কিন্তু একটি মহল ইসিকে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত করতে চায়। তারা বলেন, নতুন আইডি কার্ড এবং ভিজিটিং কার্ড থেকে প্রজাতন্ত্রের লোগো বাদ দেয়া হয়েছে। এ আইডি ও ভিজিটিং কার্ড গ্রহণ না করার ঘোষণা দেন তারা। তারা বলেন, আমরা প্রজাতন্ত্রের নিয়োগবিধি অনুযায়ী চাকরিতে যোগদান করেছি। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছিলাম এবং বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধীনে ভবিষ্যতেও থাকতে চাই। সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন সভাপতি মোশাররফ হোসেন, মহাসচিব রেজাউল মোস্তফা, সহ-সভাপতি শামসুজ্জামান, মোহাম্মদ আদিল, বিল্লাল মেহেদী প্রমুখ।