সিরিয়ার অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ফ্রান্স-জার্মানির ভিন্নমত

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বিরুদ্ধে লড়াইরত বিদ্রোহীদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে সিরিয়ার ওপর আরোপিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) তাগাদা দিয়েছে ফ্রান্স। কিন্তু এ ধরনের পদক্ষেপে আঞ্চলিক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জার্মানি। সোমবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ইইউ’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকে ইউরোপের প্রভাবশালী এ দুই রাষ্ট্রের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয়। এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা ভেঙ্গে যুক্তরাজ্য সিরিয়ার বিদ্রোহীদের অস্ত্র পাঠাতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। সিরিয়ার সরকার বিরোধীদের সহায়তা করার লক্ষ্যে কঠোর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞায় কিছুটা ছাড় দেয়ার ব্যাপারে ইইউ সরকারগুলো কয়েক সপ্তাহ আগে একমত হয়। এর আগে বিষয়টি নিয়ে ইইউ’র সদস্য দেশগুলোর মধ্যে তীব্র বিতর্ক হয়। এর কয়েকদিনের মধ্যেই স্পর্শকাতর ইস্যুটি নিয়ে আবার তাগাদা দিল ফ্রান্স। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী লরা ফ্যাবিয়াস বলেছেন, অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিলে আসাদ সরকারের সঙ্গে লড়াইয়ে বিদ্রোহীদের পক্ষে সমতা তৈরি হবে। কিন্তু জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গুইদো ওয়েস্টারওয়েল বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপে ওই অঞ্চলে অস্ত্রের যোগান বেড়ে গিয়ে অনিয়ন্ত্রিত যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে। এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা ভেঙ্গে যুক্তরাজ্য সিরিয়ার বিদ্রোহীদের অস্ত্র পাঠাতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। মঙ্গলবার সংসদীয় কমিটির এক বৈঠকে তিনি বলেন, আমি আশা করি, আমরা আমাদের ইউরোপীয় অংশীদারদের বোঝাতে পারবো এবং তারা আমাদের সাথে একমত হবে।