ঠাকুরগাঁওয়ের লোকালয়ে মৌ-চাক
প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০১৩, ২১:২৯
মৌমাছিদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান আজকাল কেন আর সহজে চোখে পড়ে না— তা গবেষণার বিষয় হতে পারে। তবে অতীতে শহরে বা গ্রামের ঘরের কোণে এসব মৌচাক দেখা যেত সহজে। কিন্তু বর্তমানে গাছপালা, বন-জঙ্গল কেটে উজাড় এবং ফসলি জমিতে অতিরিক্ত বালাইনাশক ব্যবহার করায় বাসস্থান সঙ্কটে ভুগছে পরিশ্রমী এসব মৌমাছি। তবে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বেলপুকুর গ্রামের তরিকুল ইসলামের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে মৌচাক গড়ে তোলার বিষয়টি ব্যতিক্রমী। দীর্ঘদিনে ওই বাড়িটি মৌমাছিবান্ধব বাড়ি হিসেবে পরিণত হয়েছে। ওই বাড়িতে বর্তমানে মৌমাছিরা বাড়ির বাইরে ও ভিতরে দশটি মৌচাক গড়ে তুলেছে। যা প্রতিনিয়ত পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। বাড়ির মালিক তরিকুল ইসলাম বলেন, মৌমাছিরা অনেক আগে থেকেই আমার বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় বাসা বেঁধেছে। আমরা এসব মৌমাছিকে কখনো বিরক্ত করি না। মৌমাছিগুলো আমাদের কাউকে আক্রমণও করে না। তিনি আরও বলেন, এসব মৌচাক থেকে মাসে দু’বার মধু সংগ্রহ করা হয়। প্রতিবার ১৫-১৮ কেজি মধু পাওয়া যাচ্ছে। এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও হ্যাড্স কৃষি ডিপ্লে¬ামা কলেজের অধ্যক্ষ শফিউল আলম বলেন, পরিশ্রমী আদর্শ প্রাণী হল মৌমাছি। এরা নির্দিষ্ট বিধিবিধান ও সুশৃংখলা মেনে চলে। তিনি জানান, পৃথিবীতে হাজারো প্রজাতির মৌমাছি থাকলেও এপিস সেরানা নামের মৌমাছি এদেশের গ্রামে-গঞ্জে দেখা যায়।