বাউফলের প্রাইমারি স্কুলে তথ্য ফরম পূরণে ঘুষের অভিযোগ

বাউফল সংবাদদাতা পটুয়াখালীর বাউফল ্্উপজেলায় সরকারি প্রাইমারি বিদ্যালয়ে তথ্য ফরম পূরণে শিক্ষক প্রতি ১০ হাজার টাকা করে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবরে লিখিত অভিযোগে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী রেজিস্টার্ড প্রাইমারি বিদ্যালয়গুলো সরকারি করার ঘোষণা দেয়ায় বাউফল উপজেলায় ১০০টি রেজিস্টার্ড প্রাইমারি বিদ্যালয় সরকারি হওয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়। উক্ত বিদ্যালয়গুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সভাপতি ও শিক্ষা অফিসারকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করে চার স্তরের তথ্য ফরম সরবরাহ করেছে সরকার। চার স্তরের মধ্যে রয়েছে- শিক্ষক তথ্য, বিদ্যালয় সংক্রান্ত তথ্য, জমাজমি বিষয়ক তথ্য এবং শিক্ষার্থী সংক্রান্ত তথ্য। উক্ত তথ্য ফরম পূরণ করে বাছাই কমিটির রিপোর্টের উপর নির্ভর করবে সরকারি হওয়ার বিষয়টি। ১০০টি স্কুলে প্রতিটি স্কুলে ৪ জন করে ৪০০ শিক্ষক রয়েছে। প্রতিটি স্কুল সম্পর্কে ভাল রিপোর্ট দেয়া হবে এ সুবাদে প্রত্যেক স্কুল থেকে ৪০ হাজার টাকা করে ঘুষ আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ৪০০ শিক্ষকের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা আদায় হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে- উক্ত টাকা আদায়ের ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকায় আছে দু’জন সহকারী শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান ও সহিদুর রহমান স্বপন। যদিও ওই সহকারী শিক্ষা অফিসারদ্বয় উক্ত টাকা আদায়ের কথা অস্বীকার করে বলেন- এ জাতীয় ঘটনার সাথে তারা আদৌ সম্পৃক্ত নন। এ ব্যাপারে বাছাই কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদেকুর রহমান উক্ত টাকা আদায়ের কোন অভিযোগ পাননি বলে জানান। অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।