সংলাপ চাইলে যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গ ত্যাগ করুন

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বিএনপির উদ্দেশে বলেছেন, সংলাপ চাইলে যুদ্ধাপরাধী, জামায়ত-শিবিরের সঙ্গ ত্যাগ করুন। জামায়াত-শিবিরকে ছাড়লে সংলাপের দ্বার খোলা। গতকাল বুধবার বিকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আগামী ১৮ মার্চ সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে এ প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়। সারাদেশে জামায়াত-শিবিরের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ এ সমাবেশের আয়োজন করছে। মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, আমরা সংলাপ করতে চাই। কিন্তু সংলাপ করবো কাদের সঙ্গে? যারা দেশের স্বাধীনতা চায় না, জাতীয় পতাকা পদদলিত করে, শহীদ মিনারে তাণ্ডব চালায় সেই জামায়াতকে যারা লালন-পালন করে তাদের সাথে সংলাপে বসে লাভটা কি? একদিকে সংলাপের কথা, অন্যদিকে জামায়াত-শিবিরকে লালন করা তা হতে পারে না। বিএনপিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে হানিফ বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা উচ্চ আদালতের রায়ে সংবিধান থেকে বাতিল হয়ে গেছে। এটা এখন মীমাংসিত বিষয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে যেহেতু আর নির্বাচন করার কোনো সুযোগ নেই তাই নির্বাচন নিয়ে আপনাদের বিকল্প কোনো প্রস্তাব থাকলে দিতে পারেন। ‘জনগণের চাপে সরকার ছেড়ে দিয়েছে’ মর্মে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সমালোচনা করে হানিফ বলেন, মির্জা ফখরুলের বক্তব্যে স্পষ্ট হলো, বাকি যারা আটক আছে তাদেরকে ছেড়ে দিতে জনগণের দাবি নেই। তাহলে তাদের মুক্তির দাবিতে আর কোন কর্মসূচি দেবেন না। ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জমান সোহাগের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য একেএম এনামুল হক শামীম, আব্দুস সোবাহান গোলাপ, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম, দপ্তর সম্পাদক শেখ রাসেল, ঢাকা বিশ্বিবিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মোল্লা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদ, কুমিল্লা উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।