বরিশালে নাস্তিক ব্লগারদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা

নাস্তিক-ব্লগারদের অবাঞ্ছিত ঘোষণাসহ আজ শুক্রবার বাদ জুম্মা নগরীর সকল মসজিদ থেকে বিক্ষোভ ও ২২ এবং ২৩ মার্চ নগরীর কেন্দ ীয় ঈদগা ময়দানে মহাসমাবেশ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতার উদ্যোগে বরিশাল বিভাগীয় কওমী মাদ্রাসা ঐক্যপরিষদের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। নগরীর বাজার রোডস্থ মাহমুদিয়া মাদ্রাসায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকালের সভায় ইসলামের হেফাজতে জেলা ও বিভাগীয় কমিটি গঠন করা হয়। সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতার আমির মাওঃ ওবায়দুর রহমান মাহবুবের সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করেন মাওঃ মীর্জা নুরুর রহমান বেগ, মাওঃ আব্দুল হালিম, মাওঃ আব্দুল মান্নান, মাওঃ হাফেজ রুহুল আমিন, মাওঃ শামসুল হক, মাওঃ গোলাম মোস্তফা, মুফতি সুলতান মাহমুদ, মাওঃ গাফফার প্রমুখ। বক্তারা মহানবী সাঃ কে ধর্ম নিরপেক্ষ বলায় মহাজোট সরকারকে মদীনার সরকারের সাথে তুলনা করা, পাঠ্য বইয়ে দেব-দেবীর নামে জবাইকৃত পশুকে হালাল বলা, বিতর্কিত ব্লগগুলো বন্ধ করা, নাস্তিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া, জনতার মঞ্চ উচ্ছেদ, বাইতুল মোকাররমের উত্তর গেট খুলে দেয়ার দাবি ও ইসলাম প্রিয় প্রতিবাদী ওলামা ও জনতার উপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ এবং পুলিশের হামলা-মামলার প্রতিবাদ প্রয়োজনে জীবন দিয়ে যুদ্ধ করার ঘোষণা দেয়া হয়। এমপি সরোয়ারের চিঠি যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে নগরীর অশ্বনী কুমার হল চত্বরে সাংস্কৃতিক কর্মীদের গণজাগরণ মঞ্চ সরিয়ে নেয়ার জন্য পুলিশ কমিশনারকে পত্র দিয়েছেন সদর আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার। গতকাল বৃহস্পতিবার পুলিশ কমিশনারকে দেয়া ঐ পত্রে তিনি বলেন, টাউন হল নগরীর প্রাণকেন্দে রাজনীতির কেন্দ বিন্দু। পাশেই বিএনপি অফিস ও মসজিদ রয়েছে। কিন্তু সেখানে স্থায়ী মঞ্চ তৈরি করে রাখায় আমাদের মিছিল মিটিং করতে দেয়া হয় না। কথা বলার অধিকার সকলেরই আছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থান এ ভাবে দখল করে না রাখার জন্য তিনি পুলিশ কমিশনারকে পত্র দেন।