জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা

(জ্ঞান স্তর ও অনুধাবন স্তর) প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, স্নেহসহ আন্তরিক দোয়া রইল। আশা করি- তোমরা সবাই জান যে, জে.এস.সি-র বোর্ড পরীক্ষায় বাংলা প্রথম পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে বহুনির্বাচনি ও রচনামূলক অংশে লেখক পরিচিতি ও পাঠ পরিচিতি থেকে বেশ কিছু জ্ঞান স্তরের প্রশ্ন আসে। তাই নিম্নের এক কথায় প্রশ্নোত্তরগুলো ভালোভাবে পড়লে তোমাদের অনেক কাজে লাগবে বলে আশা করি। অনুধাবন স্তরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও দেওয়া হলো। অধ্যায়: পড়ে পাওয়া গত মঙ্গলবারের পর ১৬। লেখক নদীর চরে কাদের ছোট ছোট ঘরবাড়ি দেখেছেন? উত্তর: লেখন নদীর চরে কাপালীদের ছোট ছোট ঘরবাড়ি দেখেছেন। ১৭। কালোমতো লোকটি কত দিন পর এসে বাক্স দাবি করল? উত্তর: কালোমতো লোকটি তিন দিন পর এসে বাক্স দাবি করল। ১৮। কোথায় ব্যাঙ ডাকছে? উত্তর: নরহরি বোষ্টমের ডোবায় ব্যাঙ ডাকছে। ১৯। লেখকের বন্ধুদের মধ্যে কে বয়সে বড়? উত্তর: লেখকের বন্ধুদের মধ্যে বিধু বয়সে বড়। ২০। বাডুষ্যেদের মাঠের বাগানে কী জাতের আমগাছ আছে? উত্তর: বাডুষ্যেদের মাঠের বাগনো চাঁপাতলী জাতের আমগাছ আছে। অনুধাবনমূলক ১। “কালবোশেখির ঝড় মানেই আম কুড়ানো।”-ব্যাখ্যা কর। ২। “যে আগে গিয়ে পৌঁছাতে পারে তারই জয়।”-কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? ৩। ডাবল টিনের ক্যাশ বাক্স সম্পর্কে যা জান লেখ। ৪। লেখকের মন থেকে ভূতের ভয় চলে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর। ৫। লেখক ও তাঁর বন্ধুদের গুপ্ত মিটিং-এ বসার কারণ ব্যাখ্যা কর। ৬। লেখক ও তাঁর বন্ধু বাদলের মন হঠাত্ বদলে গেলে কেন? ৭। বিধু কেন ঘুড়ির মাপে কাগজ কেটে নিয়ে আসার নির্দেশ দিল?-ব্যাখ্যা কর। ৮। “ওর নয় রে, লোভে পড়ে এসেছে।”-বিধুর এ কথা বলার কারণ ব্যাখ্যা কর। ৯। অম্বরপুর চরের কাপালীদের সর্বস্বান্ত হওয়ার কারণ দর্শাও। ১০। ‘অদেষ্ট, একেই বলে বাবু অদেষ্ট।’- জনৈক কাপালীর একথা বলার কারণ ব্যাখ্যা কর। ১১। বিধু বাক্সের প্রকৃত মালিককে রসিদ লিখে দিতে বলল কেন? অধ্যায়: তৈলচিত্রের ভূত ১। কে নিজের প্রকান্ড লাইব্রেরিতে বসে চিঠি লিখছিলেন? উত্তর: পরাশর ডাক্তার নিজের প্রকান্ড লাইব্রেরিতে বসে চিঠি লিখছিলেন। ২। নগেন কোথায় থেকে কলেজে পড়ে? উত্তর: নগেন তার মামাবাড়িতে থেকে কলেজে পড়ে। ৩। নগেনের মামা কী রকম লোক ছিলেন? উত্তর: নগেনের মামা কৃপণ লোক ছিলেন। ৪। মনে মনে নগেন তার মামাকে প্রায়ই কোথায় পাঠাত? উত্তর: মনে মনে নগেন তার মামাকে প্রায়ই যমের বাড়ি পাঠাত। ৫। নগেনের মামা শেষ সময়ে নগেনের জন্য কী করেছেন? উত্তর: নগেনের মামা শেষ সময়ে নগেনের নামে টাকা উইল করেছেন। ৬। পাগল সহজে কী টের পায় না? উত্তর: পাগল সহজে টের পায় না যে সে পাগল হয়ে গেছে। ৭। নগেন মরিয়া হয়ে ডাক্তারকে কী জিজ্ঞেস করেছিল? উত্তর: নগেন মরিয়া হয়ে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করেছিল যে, সত্যই পেতাত্মা আছে কিনা। ৮। নগেনের কাহিনি কেমন ছিল? উত্তর: নগেনের কাহিনি ছিল অবিশ্বাস্য আর চমকপ্রদ। ৯। নগেন কোনোদিনও কী কল্পনা করতে পারে নি? উত্তর: নগেনের মামার এরকম উদারতা নগেন কোনোদিনও কল্পনা করতে পারে নি। ১০। নগেন তার মামাকে কীভাবে ঠকিয়েছিল? উত্তর: নগেন তার মামাকে ভালোবাসার ভান করে ঠকিয়েছিল। ১১। নগেন তার মৃত মামাকে কীভাবে ভক্তিশ্রদ্ধা করতে চেয়েছিল? উত্তর: নগেন তার মৃত মামার তৈলচিত্রের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিশ্রদ্ধা করতে চেয়েছিল। ১২। কী সম্পর্কে নগেনের মামার বিশেষ কোনো মাথাব্যথা ছিল না। উত্তর: লাইব্রেরি সম্পর্কে নগেনের মামার বিশেষ কোনো মাথাব্যথা ছিল না। ১৩। লাইব্রেরিতে কয়টি বড় বড় তৈলচিত্র ছিল? উত্তর: লাইব্রেরিতে তিনটি বড় বড় তৈলচিত্র ছিল। ১৪। তৈলচিত্রের ছবি তিনটি ছিল কার কার? উত্তর: তৈলচিত্রের ছবি তিনটির একটি ছিল নগেনের দাদামশায়ের, একটি দিদিমার একটি মামার। ১৫। অন্ধকারে নগেন তার মামার তৈলচিত্রের সামনে গিয়ে কী বলল? উত্তর: অন্ধকারে নগেন তার মামার তৈলচিত্রের সামনে গিয়ে অস্ফুট স্বরে বলল- ‘মামা, আমায় ক্ষমা কর।’ ১৬। নগেন তার মামার ছবি ছুঁতেই তার কী হল? উত্তর: নগেন তার মামার ছবি ছুঁতেই তাকে কে যেন ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল। ১৭। কস্মিনকালেও নগেন কী হয় নি? উত্তর: কস্মিনকালেও নগেন ফিট হয় নি।