আড্ডা গান স্মৃতিচারণে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

নানা আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সুবর্ণ জয়ন্তী উত্সব অনুষ্ঠিত হয়েছে। শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, আড্ডা, ভাব-বিনিময় ও কোলাহলে মেতে ওঠেন ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীরা। উত্সবমুখর পরিবেশে দেশ গড়ার কাজে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা বিনিয়োগ করারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারা। উত্সব উপলক্ষে গতকাল সকালে ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রা নিয়ে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) মিলিত হন প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী-শিক্ষকরা। এ সময় টিএসসি এলাকা নবীন-প্রবীণের মিলনমেলায় পরিণত হয়। দিনভর স্মৃতিচারণ, আড্ডা, ভাব-বিনিময়ে মেতে ওঠেন ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীরা। টিএসসি মিলনায়তনে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, সুস্থ সমাজ কাঠামো ছাড়া টেকসই রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে ওঠতে পারে না। সমাজের সহিংসতা ও উত্কণ্ঠা নিরসন এবং বিশ্বায়নের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে মানুষের মনন ও চিন্তার পরিবর্তন দরকার। এ ক্ষেত্রে সমাজকল্যাণের শিক্ষক, গবেষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহূত হওয়ার জন্য সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং সুবর্ণ জয়ন্তী উত্সব উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক মো. নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক সহিদ আকতার হুসাইন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগের এমিরিটাস অধ্যাপক ড. এ এফ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী সুবর্ণ জয়ন্তীর বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক এ এস এম আতীকুর রহমান, সোস্যাল ওয়েলফেয়ার এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক এম এ মোমেন, তাহেরুন্নেছা আবদুল¬াহ। দুপুরে স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা নানা স্মৃতি স্মরণ করে আনন্দময়-কৌতুকময় ও উত্সাহব্যঞ্জক পরিবেশ সৃষ্টি করেন। বিকালে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠাশেষে ভাঙে এ নবীন-প্রবীণের মিলনমেলা।