এইচএসসি পরীক্ষা ২০১৩

প্রশ্নগুলো বারবার রিভিশন দিতে হবে

সুপ্রিয় HSC পরীক্ষার্থীবৃন্দ, দীর্ঘ দু’বছরের শ্রম, সাধনা ও কঠোর অধ্যবসায়ের পর তোমরা তোমাদের স্বপ্নের কাঙ্ক্ষিত HSC পরীক্ষায় অংশ নিতে যাচ্ছ। HSC পরীক্ষাকে বলা হয় ভবিষ্যতের প্রবেশদ্বার। কারণ HSC পরীক্ষার ফলাফলের উপর নির্ভর করে একজন শিক্ষার্থীর Future Course of Life. কারণ HSC-তে চমত্কার একটি ফলাফল একজন শিক্ষার্থীকে খুব সহজেই তার লক্ষ্যে পৌঁছে দেয় আর কোনো কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফলপ্রাপ্ত একজন শিক্ষার্থীর জীবনে নিয়ে আসে হতাশার অমানিশা। HSC-তে ভালো ফলাফল করতে হলে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে— প্রতিটি বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়সমূহ থেকে কমন উপযোগী প্রশ্নগুলো বারবার রিভিশন দিতে হবে। বিষয়বস্তু শুধুমাত্র মুখস্থ না করে আত্মস্থ ও অনুধাবন করতে হবে। প্রশ্নের মানবণ্টন অনুসরণ করে বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি নিবে। কারণ প্রতিটি বিষয়ের মানবণ্টনে কিছুটা স্বাতন্ত্র্য রয়েছে। পরীক্ষা অতি সন্নিকটে, কাজেই নতুন কিছু না শিখে পূর্বের বিষয়গুলো বারবার চর্চা করতে হবে। Time Budget করে লেখার চর্চা করবে। উত্তর অতিরিক্ত বড় কিংবা সংক্ষিপ্ত করবে না। উত্তর হবে মানবণ্টনের সাথে সংগতিপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক। পরীক্ষায় ভালো ফলাফল শুধুমাত্র বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের উপর নির্ভর করে না। বিষয়বস্তুর সুন্দর উপস্থাপন দক্ষতার উপরও নির্ভর করে। অনেক শিক্ষার্থী অনেক জানা সত্ত্বেও ভালো ফল অর্জন করতে পারে না শুধুমাত্র Exam Skill-এর অভাবে। Exam Scrip Decoration একটা Art. এটা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। হাতের লেখা হিজিবিজি, খুব ছোট কিংবা খুব বড় করবে না। এক পৃষ্ঠায় সাধারণত ৮-১২ লাইন ও প্রতি লাইনে ৬-১০টি শব্দ লিখা উত্তম। উত্তর লেখার সময় মার্জিন দিয়ে বামপাশে পর্যাপ্ত জায়গা রাখবে, প্রশ্ন নং সঠিক লিখবে। একটি উত্তর লেখা শেষ হলে উক্ত পৃষ্ঠায় অন্য উত্তর না লেখাই উত্তম। নতুন পৃষ্ঠা থেকে পরবর্তী উত্তর লেখা শুরু করবে। লেখা শুরু করার পূর্বে সম্পূর্ণ প্রশ্ন অন্তত একবার পড়বে এবং সম্ভাব্য প্রশ্নগুলো Select করবে। সৃজনশীল প্রশ্নকাঠামোর বিষয়সমূহ (বাংলা ১ম, রসায়ন, ব্য:নীতি ও প্রয়োগ, পৌরনীতি) খুব বেশি চর্চা করবে। এর প্রতিটি বিষয়ের মূল বই যত্নসহকারে পড়বে। সবশেষে তোমাদের সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যত্ এবং সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনায়