ফকির মজনু শাহ্ সেতুর টোল আদায়ে অনিয়মের অভিযোগ
প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০১৩, ২১:৩০
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় শীতলক্ষ্যা নদীর উপর নির্মিত ফকির মজনু শাহ সেতুটির ইজারা না হওয়ায় গত দুই বছর ধরে সেতুর টোল আদায়ে ব্যাপক অনিয়ম হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রকাশ, ৩৯০ দশমিক ৯১ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০ মিটার প্রস্থেও সেতুটি নির্মাণ করতে সরকারের ব্যয় হয় ১৫ কোটি টাকা। ২০০৫ সালের ৩ আগস্ট তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেতুটি উদ্বোধন করেন। সেতুটির মাধ্যমে ঢাকা-কাপাসিয়া-টোক-মঠখোলা-ইটাখোলা-কিশোরগঞ্জ এবং পার্শ্ববর্তী নরসিংদী ও বৃহত্তর সিলেটের সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। প্রতি বছর সেতুটি ইজারা দেয় সরকার। সর্বশেষ ২০১১ সালে সেতুটির ইজারা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়। ইজারার উদ্দেশ্যে ১১তম দরপত্র আহবানের পর সংক্ষুব্ধ পক্ষ উচ্চ আদালতে দরপত্র আহবানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে। তখন থেকেই ইজারা বন্ধ রয়েছে এবং সেতুটির টোল খাস আদায় করা হচ্ছে। সর্বশেষ দাখিলকৃত দরপত্র অনুযায়ী যদি সেতুটি ইজারা দেয়া হতো তাহলে সরকার দৈনিক সেতুর টোল বাবদ ১ লাখ ৪ হাজার টাকা রাজস্ব পেত। এ পরিমাণ রাজস্ব পেতে সরকারকে কোন খরচ করতে হতো না। কিন্তু বর্তমানে খাস আদায় করতে গিয়ে এখানে গাজীপুর সড়ক বিভাগের ১৫/২০ জন কর্মকর্তা/কর্মচারী কাজ করছে। এছাড়া দৈনিক ৫শ’ টাকা হিসাবে মাস্টার রোলে ৫/৬ জন স্থানীয় লোক কাজ করছে। ফলে গড়ে সরকারের খাস আদায় বাবদ খরচ পড়ে প্রায় ২০ হাজার টাকা।