ঋণ খেলাপিতে নির্বাচনে অযোগ্য হতে পারেন পাক প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০১৩, ২১:৪৭
পাকিস্তানে ইতিহাস সৃষ্টি করলো পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। এই প্রথম দেশটির নির্বাচিত কোনো সরকার পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ করলো। কিন্তু সেই সরকারেরই প্রধানমন্ত্রীর আগামী জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে অযোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তার মালিকানাধীন একটি কোম্পানি ঋণ খেলাপির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর এ সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে করা মামলা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। এদিকে একইদিন জাতীয় ও প্রাদেশিক ও নির্বাচন করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীরা একমত হয়েছেন। তবে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া ও এনডিটিভির।
ফেয়ারউইন এন্টারপ্রাইজ নামে একটি কোম্পানির মালিকানায় অংশীদারিত্ব রয়েছে পাকিস্তানের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরাফের। ১৯৮৬ সালে এটি ইসলামাবাদে কোম্পানি হিসাবে ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’র (সিডিএ) রেজিস্টারভুক্ত হয়। পরে এটি সিডিএ’র ঋণ খেলাপির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। সমপ্রতি সিডিএ চেয়ারম্যান সৈয়দ তাহির শাহবাজ আদালতের মানবাধিকার রক্ষা সেলকে জানান, রাজা পারভেজ আশরাফের কোম্পানি ঋণ খেলাপির দায়ে অভিযুক্ত। এরপর শাহবাজকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে ইসলামাবাদের প্রধান নির্বাচন কমিশনার তারিক মাহমুদ পীরজাদাকে নিয়োগ দেয়া হয়। সর্বোচ্চ আদালতের মানবাধিকার রক্ষা সেল পীরজাদাকে এই ঘটনায় প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়। প্রধানমন্ত্রী এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী বাছাই
সংবিধান অনুযায়ী সংসদ বিলুপ্ত হওয়ার পর তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রীর নাম নিয়ে সমঝোতার জন্য প্রধানমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরাফ ও বিরোধী দলীয় নেতা নিসার আলী খান তিনদিন (মঙ্গলবার পর্যন্ত) সময় পাবেন। এর মধ্যে ঐকমত্য না হলে সদ্য বিলুপ্ত জাতীয় পরিষদের সরকার ও বিরোধী দলের চারজন করে আট সদস্যের কমিটি সময় পাবে আরো তিনদিন। এ সময়ের মধ্যে ঐকমত্য না হলে নির্বাচন কমিশন দুইদিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবে এবং তাদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।