শাহবাগের তরুণরা নতুন প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা

চট্টগ্রামে গণজাগরণ মঞ্চে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, শাহবাগে যারা গণজাগরণ মঞ্চ বানিয়েছে তারা নতুন প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা। হেফাজত আর জামায়াত যতই অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি করুক, তরুণ প্রজন্মকে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির আন্দোলন থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না। বিএনপিতে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের পক্ষে থাকার আহবান জানান। গতকাল রবিবার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের কমান্ডার মো. সাহাবউদ্দিনের সভাপতিত্বে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধের সাব সেক্টর কমান্ডার ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি, সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, কমিউনিস্ট পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য শাহআলম, মুক্তিযুদ্ধের গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমান, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম উদ্যোক্তা মফিজুর রহমান প্রমুখ। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, ৪২ বছর পর তরুণ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির জন্য আন্দোলন শুরু করেছে। খালেদা জিয়া মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হিসাবে তার তরুণ প্রজন্মের পক্ষে থাকার কথা ছিল। কিন্তু তিনি তরুণ প্রজন্মকে নাস্তিক বলছেন। এবিএম মহিউদ্দিন চৌধ?ুরী বলেন, আমরা বুড়ো হলেও তরুণ প্রজন্মের পাশে থাকব। তরুণদের নির্দেশ মেনে আমরা লড়াই, সংগ্রাম চালিয়ে যাব। যে সব মুক্তিযোদ্ধা বেঁচে আছেন, তাদের নিজ নিজ এলাকায় জামায়াত-শিবিরকে প্রতিরোধ করতে হবে। এলাকায় যারা জামায়াত-শিবিরের কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে তাদের তালিকা করে থানায় জমা দিন। ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, হেফাজত ইসলাম কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় বলে বক্তব্য দিয়ে ওই সংগঠনের নেতারা মোনাফেকি করছেন। হেফাজতের নেতা মাইনুদ্দিন রূহীর একাত্তরে ভূমিকা কি ছিল সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। হেফাজতে ইসলাম এখন হেফাজতে জামায়াত আর হেফাজতে বিএনপিতে পরিণত হয়েছে।