মার্চে ১৫ দিনই হরতাল ও ছুটি

গত শুক্র ও শনিবার ছিল সাপ্তাহিক ছুটি। এরপর গতকাল রবিবার ছিল বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে সরকারের ঘোষিত ছুটি। আজ থেকে শুরু হচ্ছে বিএনপির দুইদিনের দেশব্যাপী হরতাল আর বৃহস্পতিবার ঢাকা জেলায় হরতাল। অর্থাত্ পুরো সপ্তাহ কাটছে ছুটির আমেজে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত কার্যত বন্ধই থাকছে। ৩১ দিনের মার্চ মাসে সরকারি ছুটি আর হরতালের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানের কাজকর্ম বন্ধ থাকছে ১৫ দিন। মাসের প্রথম ১৭ দিনের মধ্যে সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটি আর হরতালের কারণে কেটেছে ১২ দিন। স্বাভাবিক কাজের জন্য কর্মদিবস ছিল মাত্র ৫ দিন। চলতি সপ্তাহে তিন দিনের সাপ্তাহিক ও সরকারি বন্ধের সঙ্গে যোগ হয়েছে আরো তিন দিনের হরতাল। এর মধ্যে সারা দেশে দুই দিন আর ঢাকায় তিন দিনের হরতাল। অর্থাত্্ এ সপ্তাহেও স্বাভাবিক কাজের দিন থাকছে মাত্র একটি। ৩১ দিনের মার্চ মাসে বাকি ১৪ দিনে এখনো পর্যন্ত পাঁচ দিনের সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটি আর তিন দিনের হরতাল মিলে আট দিন থাকছে ছুটির আমেজে। বিএনপির সূত্রগুলো বলছে, আগামী সপ্তাহেও হরতাল দেয়া হতে পারে। এ মাসের শুরুর প্রথম দুই দিন ছিল শুক্র ও শনিবার। এ দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি। ওই সপ্তাহের রবি ও সোমবার টানা দুই দিনের হরতাল ডাকে জামায়াতে ইসলামী। পরদিন মঙ্গলবার সারা দেশে হরতাল পালন করে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। এর এক দিন পর ৭ মার্চ বৃহস্পতিবার আবারো হরতাল ডাকে বিএনপি। ফলে মাসের প্রথম সপ্তাহে সরকারি ছুটি ও হরতালের বাইরে ছিল মাত্র একটি দিবস। দ্বিতীয় সপ্তাহে হরতাল ছিল এক দিন ১২ মার্চ মঙ্গলবার। শুক্র, শনি ও মঙ্গলবার বাদে বাকি চার দিন ছিল স্বাভাবিক। মাসের তৃতীয় সপ্তাহও কাটছে সরকারি ছুটি আর হরতালে। এ সপ্তাহে ১৫ ও ১৬ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত ছিল ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসের ছুটি। টানা এ তিন দিনের ছুটির সঙ্গে যুক্ত বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের ডাকা দুই দিনের হরতাল। এ সপ্তাহের টানা পাঁচ দিন যাচ্ছে ছুটি ও হরতালের মাঝে। এক দিন বুধবার এখন পর্যন্ত কোনো কর্মসূচি নেই। তবে পরদিন বৃহস্পতিবার ঢাকা জেলায় হরতাল ডেকেছে বিএনপি। এছাড়াও মাসের শেষ সপ্তাহে ২৬ মার্চের ছুটিসহ আছে তিন দিনের সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটি।