অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক প্রীতিলতা

স্মরণানুষ্ঠানে বক্তারা

ইত্তেফাক রিপোর্ট

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নায়ক মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে সশস্ত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে দেশের জন্য, দেশের মানুষের স্বাধীনতার জন্য অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন প্রীতিলতা। এভাবেই প্রীতিলতা যে বিপ্লবী চেতনার জন্ম দিয়েছেন, তা যুগ যুগ ধরে স্বাধীনতাকামী মানুষকে প্রেরণা দিয়েছে, যা আজও প্রবহমান। যে কোনো অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক প্রীতিলতা।

প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের জন্মদিন স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। গতকাল রবিবার ছিল তার ১০৯তম জন্মদিন। তার জন্মদিনে শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় স্মরণ করা হলো এই অসীম সাহসী নারীকে। তাকে নিবেদিত ‘আজও আমি প্রতিবাদে মশাল হয়ে জ্বলি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তন্নিষ্ঠ নাটুয়া নাট্যদল। প্রীতিলতার জীবননির্ভর স্মরণ কথনের পাশাপাশি পাঠাভিনয়ে সাজানো ছিল আয়োজন। বৈশাখী সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটমন্ডলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রীতিলতার ওয়াদ্দেদারের প্রতিকৃতিতে অর্পণ করা হয় পুষ্পাঞ্জলি। শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে অতিথি ও আয়োজকরা মিলে প্রদীপ প্রজ্বলন করেন। এরপর শুরু হয় প্রীতিলতা স্মরণ কথা। আলাপচারিতায় অংশ নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

আলোচনা শেষে মঞ্চস্থ হয় তন্নিষ্ঠ নাটুয়া নাট্যদলের প্রযোজনা ‘আমি প্রীতিলতা’। পাঠ অভিনয়ে সাজানো নাটকটির রচয়িতা জুয়েল কবির। নির্দেশনা দিয়েছেন রিবন খন্দকার। কণ্ঠের আশ্রয়ে প্রযোজনাটিকে ফুটিয়ে তোলা কুশীলবরা হলেন— অলক দাশ গুপ্ত, খায়রুজ্জাহান মিতু, জিনিয়া রুনা, সাজ্জাদ হোসেন, ত্রিদিব বর্মণ, লায়লা ফেরদৌস হিমেল, রবি ঘোষ, সুকন্যা আমীর, অগ্নিলা ও শতাব্দী ভৌমিক।