বরিশালে ওএমএস-এ
ক্রেতাদের সাড়া নেই
প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০১৩, ২২:২৪
এখানে চালের দাম অব্যাহত বৃদ্ধির পর ১৮ মার্চ থেকে ওএমএস কার্যক্রম চালু হলেও ক্রেতাদের কোনো সাড়া মিলছে না। টানা দুই দিনের হরতালের পর গতকাল বুধবার ১৫ জন ডিলার নির্ধারিত ৩০ টন চাল সরবরাহ নিলে দিনশেষে তার অর্ধেকও বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। ডিলারদের ব্যাপক লোকসান গুণতে হচ্ছে।
প্রতিবছর এ অঞ্চলের দারিদ্র্যপীড়িত মানুষ ওএমএস’র চাল পেতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে নানা শ্রেণীর মানুষ জড়ো হতো ওএমএস’র চালের ট্রাকের সামনে। কিন্তু এবার চাল না নিয়ে ফেরত যাচ্ছে ক্রেতারা। একাধিক ক্রেতা জানান, চালের মান খারাপ, পাশাপাশি ২৪ টাকার সাথে ২/৩ টাকা পুড়িয়ে বাজার থেকে উন্নতমানের চাল পাওয়া যায়। এ চালের দাম ১৮ থেকে ২০ টাকার মধ্যে রাখলে তারা ক্রয় করতেন।
ওএমএস-এর চালের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ২৪ টাকা এবং প্রতি কেজি আটার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ টাকা। নগরীতে ১৫ জন ডিলারের মাধ্যমে সপ্তাহে ৬ দিন নগরীর চরেরবাড়ী রিফিউজি কলোনী, বাংলা বাজার, নতুন বাজার, মুন্সি গ্যারেজ, চরকাউয়া খেয়া ঘাট, চাঁদমারী মাদ্রাসা, হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা বাজার, সাগরদী বাজার, দরগাবাড়ী ব্রিজ, রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড, পলাশপুর বউ বাজার, বেলতলা বাজার, সাধুর বটতলা, নথুল্লাবাদ, কাশিপুর বাজার, কাউনিয়া হাউজিং এবং সিটি কর্পোরেশনের সামনে চাল বিক্রি করবে। প্রতিদিন ডিলারপ্রতি ২ টন চাল এবং ১ টন আটা বরাদ্দ হয়েছে।
ডিলার এনামুল হক জানান, দিনশেষে খরচবাবদ তাকে লোকসান গুণতে হয়েছে। তিনি জানান, এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে তাদের এ ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হবে।
খাদ্য অধিদপ্তরের সহ উপ-খাদ্য পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় জানান, তার অধীনে একাধিক ডিলারের দিনশেষে অর্ধেকেরও বেশি চাল অবিক্রিত রয়ে গেছে। ক্রেতারা দাম কমানোর ব্যাপারে তাগিদ দিয়েছেন বলে তিনি জানান।