রামগতিতে দুইটি কার্গোতে ডাকাতি আহত ২১, মালামাল লুট
প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০১৩, ২২:৩৬
লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন চর গজারিয়া পাইলট ঘাটের অদূরে মেঘনা নদীর ঘাসিয়ারচর এলাকায় গতকাল বুধবার ভোরে এমভি বাংলার জিয়াদ ও এমভি পয়েন্ট অব ঝুলম-৪ নামের দু’টি মালবাহী কার্গো জাহাজে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। এ সময় জলদস্যুরা ঐ দুই জাহাজের ২১ লোককে পিটিয়ে জখম করে তিন লক্ষাধিক নগদ টাকাসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। চট্টগ্রাম থেকে ইউরিয়া সার নিয়ে এমভি বাংলার জিয়াদ সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি এবং পয়েন্ট অব ঝুলম-৪ ঘোড়াশাল যাচ্ছিল বলে জানা যায়।
‘এমভি বাংলার জিয়াদ’ এর চালক মো. আবদুর রশিদ গতকাল বুধবার দুপুরে জানান, চরগজারিয়া পাইলট ঘাটের অদূরে মেঘনা নদীর ঘাসিয়ারচর এলাকায় নোঙ্গর করা অবস্থায় ভোরে ২০-২৫ জনের একদল সশস্ত্র জলদস্যু ইঞ্জিন চালিত দুটি ট্রলার নিয়ে তাদের জাহাজে হামলা চালায়। এ সময় জলদস্যুরা তাকেসহ জাহাজের মাস্টার মো. সোলায়মান, সুকানী মো. সাদ্দাম হোসেন, মো. জাহাঙ্গীর, কর্মচারী মো. সমীর, রবি, রাসেল, লিটন, বায়জিত, সাকিল, সফিক ও আরিফকে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করে এবং তাদের সঙ্গে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, কাপড়-চোপড় এবং জাহাজের মূল্যবান মালামাল লুট করে নেয়।
আবদুর রশিদ আরও জানান, তাদের অদূরে নোঙ্গর করা এমভি পয়েন্ট অব ঝুলম-৪ জাহাজটিতেও জলদস্যুরা হামলা চালিয়ে চালক, মাস্টার ও সুকানীসহ ৯ জনকে পিটিয়ে জখম করে এবং নগদ টাকাসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে। জলদস্যুরা দুটি জাহাজ থেকে তিন লক্ষাধিক নগদ টাকাসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে তিনি দাবি করেন। কোস্টগার্ডের রামগতি কন্টিনজেন্টের কমান্ডার সিরাজুল ইসলাম জানান, মালবাহী জাহাজে ডাকাতির ঘটনা সম্পর্কে কোন অভিযোগ তারা পাননি। তবে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেবেন বলে তিনি জানান।