ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জানমালের যথাযথ নিরাপত্তা দিতে হবে

গণতান্ত্রিক বামমোর্চার নেতৃবৃন্দরা গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বগুড়ায় চারটি হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। বিবৃতিতে তারা বলেছেন, সংখ্যালঘুদের ওপর যেকোন ধরনের হামলা প্রতিরোধ করা দেশের প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। অব্যাহত সামপ্রদায়িক হামলার এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় এখন এ দেশের জনগণই ভরসা। গণতান্ত্রিক বামমোর্চার সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের সদস্য সিদ্দিকুর রহমান, সাইফুল হক, মোশরেফা মিশু, মোশাররফ হোসেন নান্নু, আবদুস সাত্তার, হামিদুল হক, ইয়াসিন মিঞা বিবৃতিতে এসব কথা জানান। বিবৃতিতে তারা আরো বলেন, হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ যে কোন সমপ্রদায়ের যে কোন সাধারণ মানুষ যাতে কোন ক্রমেই সামপ্রদায়িক সহিংসতার শিকারে পরিণত না হয়, তার নিশ্চয়তা বিধান করা সরকারের দায়িত্ব। দেশের জনগণের জানমালের, বিশেষত সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব সরকারের। গণতান্ত্রিক বামমোর্চার নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের উপর অব্যাহত নির্যাতনের জন্য জামায়াত-শিবিরকে দায়ী করে সরকার কেবল বক্তৃতা বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এসব নির্যাতনের জন্য দায়ী চক্রকে গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি করার কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। কাঁঠালিয়ায় প্রতিমা ভাঙচুর মামলায় চারজন গ্রেফতার কাঁঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি জানান, গত মঙ্গলবার রাতে সার্বজনীন পূজা মন্দিরের কালি প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় উপজেলার আমুয়া বন্দর এলাকা থেকে আটক পাহারাদার বশির আকন (২৮), শাহিন জমাদ্দার (৩২), আফান হাওলাদার (৪০) ও মো. ফোরকান হাওলাদার (২৯) নামের চারজনকে গ্রেফতার করে কোর্টে চালান করা হয়েছে। এ ঘটনায় মন্দিরের পুরোহিত হরিপদ দাসের পুত্র জয়দেব দাসকে (২২) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মন্দিরের সভাপতি পরিমল চন্দ্র দাস বাদী হয়ে ১৫-২০ জনকে অজ্ঞাত পরিচয় আসামি করে কাঠালিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।