ব্রিটেনের গরু ব্যবসায়ীদের সুদিন

ঘোড়ার মাংস নিয়ে শোরগোলের জের ধরে ইউরোপের অনেক দেশেই খাবারের বাজারে এসেছে পরিবর্তন। ইউরোপীয়দের মাংস খাওয়া থেকে শুরু করে বদলে গেছে বাজার করার রীতিও। খোদ যুক্তরাজ্যেই এখন চাহিদা বেড়েছে স্থানীয়ভাবে উত্পাদিত খাবারের। আবার গরুর মাংসের ব্যাপারে নিশ্চয়তা পেলে অতিরিক্ত দাম নিয়েও ভাবছেন না ব্রিটিশ ক্রেতারা। ঘোড়ার মাংস কেলেঙ্কারির পরপরই সুদিন ফিরতে শুরু করেছে যুক্তরাজ্যের গরু ব্যবসায়ীদের। নিশ্চয়তার খাতিরে এখন চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে স্থানীয় খামারের গরু। সুপার মার্কেটগুলোতেও এখন আমদানি করা মাংসের পরিবর্তে রাখা হচ্ছে স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত গরুর মাংস। যুক্তরাজ্য, সুইডেন ও ফ্রান্সে একযোগে গরুর নামে ঘোড়ার মাংস বিক্রির বিষয়টি ধরা পড়ায় ব্রিটিশদের কেউ কেউ ঘোষণাই দিয়ে দিয়েছেন, এখন থেকে তারা ব্রিটেনের বাইরের কোনো খাবার আর খাবেন না। নব্বই দশকের শুরু থেকে বিশ্বায়নের বাতাস লাগে ব্রিটেনের বাজারে। বাইরের প্যাকেটজাত খাবারের আনাগোনায় গড়ে ওঠে সুপার শপ। এক হিসেবে দেখা গেছে, স্থানীয় গরুর মাংসের চাহিদা কমে যাওয়ায় গত বিশ বছরে বেকার হয়ে পড়ে ব্রিটেনের প্রায় পনের হাজার কসাই। তবে কেলেঙ্কারি ধরা পড়ার পর এখন যেভাবে লোকজন স্থানীয়ভাবে উত্পাদিত খাবারের সন্ধান করছে, তাতে খুব তাড়াতাড়িই ব্রিটেনের খামার বাণিজ্যে সুদিন ফিরে আসবে।