অভিজিত্ রায় হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত পলাতক চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকের সম্পত্তি ও মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল রবিবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান পলাতক জিয়াসহ দুই আসামির সম্পত্তি ও মালামাল ক্রোকের আদেশ দেন। আগামী ১৩ জুন মামলার কার্যক্রমের পরবর্তী তারিখ দেওয়া হয়েছে।
সেনাবাহিনীতে ব্যর্থ অভ্যুত্থান চেষ্টার পর পালিয়ে জঙ্গি নেতার খাতায় নাম লেখানো সৈয়দ জিয়াকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজলেও এখনও পায়নি আইন-শৃংখলা বাহিনী। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পলাতক জিয়া জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের সামরিক শাখার প্রধান। ২০১৬ সালে গুলশান হামলার পর তাকে ধরিয়ে দিতে ২০ লাখ টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছিল। চার বছর আগে জিয়ার নির্দেশেই জঙ্গিরা বইমেলার বাইরে লেখক অভিজিত্ রায়কে কুপিয়ে হত্যা করেছিল বলে এই হত্যা মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলাটির ছয় আসামির মধ্যে জিয়াসহ দুজন পলাতক। পুলিশ অভিযোগপত্র দেওয়ার পর গত ১১ এপ্রিল ওই দুজনের বিরুদ্ধে প্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল ট্রাইব্যুনাল।