সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচার দাবি, ছয় সুপারিশ
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০১৩, ২২:০৫
সংখ্যালঘু নির্যাতনের সাথে জড়িতদের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানিয়েছে গ্রীন ক্লাব অব বাংলাদেশ (জিসিবি) ও মিডিয়া ফোরাম ফর হিউম্যান রাইট্স এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ডেভেলপমেন্ট (মেড)। এ ঘটনা প্রতিরোধে সংগঠন দুটির কর্মকর্তারা সরকারের কাছে ৬টি সুপারিশ পেশ করেছেন।
দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু নির্যাতন ঘটনার উপর পরিচালিত তদন্ত শেষে জিসিবি ও মেড আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান হয়। শনিবার তোপখানা রোডে মুক্তিভবনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত তিন সপ্তাহে ৪২টি জেলায় সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের ১ হাজার ৭শ’ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দেড় শতাধিক দোকানপাট-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, নির্যাতন, ভাংচুর, লুটপাট ও বসতবাড়িতে আগুন দেয়া হয়। প্রায় ১শ’ ধর্মীয় স্থাপনায় লুটপাট, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে ৪২টি জেলায় সংখ্যালঘুদের আর্থিক ক্ষতি আনুমানিক ১শ’ ২৫ কোটি টাকা। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জিসিবি’র সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জিসিবি সভাপতি নূরুর রহমান সেলিম, হিউম্যান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শফিকুর রহমান ও মেড-এর নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলাম সবুজ।
সংগঠনের অন্য সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক সহিংসতা ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করা, সংখ্যালঘুসহ সরকারি ও বেসরকারি সম্পদ ধ্বংসের অপরাধে ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের, নিহত ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়গুলো পুনঃস্থাপন, সংখ্যালঘুদের সার্বিক নিরাপত্তায় সর্বদলীয় সম্পত্তি রক্ষা কমিটি গঠন।