শ্রদ্ধায় ভালোবাসায়

ভুবনখ্যাত জীবনজয়ী হে মহামানব জাদুকরী মুগ্ধতায় গণমানুষের জনক তুমি। হূদয় জাগানো কী বাঁশি বাজালে সূর্যঝরা রৌদ্র আলোকিত সেই ফাগুনের আগুন দিনে বাঁশ-বৈঠা-কাস্তে হাতে গামছা বাঁধা মাথাগুলো উন্মত্ত হয়ে উচ্চকিত স্লোগান তুলল ‘জয় বাংলা’ তোমার সদম্ভ স্বাধীনতার ঘোষণায় সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাস ছিল। তোমার সাহসী আদর্শে সেদিন আত্মত্যাগের পবিত্রতা ছিল। দেশপ্রেমের এক শুদ্ধতম প্রদীপ জ্বালিয়ে তুমি বিশ্ব বাঙালিকে একাত্ম করেছ। গেরিলা দীক্ষায় শত্রু হননে উদ্দীপ্ত করেছ। স্বাধীনতার আনন্দ কত নির্মল উদার সেই প্রথম উপলব্ধি করলাম স্বাধীনতার উচ্ছ্বাস কত পাগলপারা সেই প্রথম অনুভব করলাম। স্বাধীনতার শক্তি কত শোক ও বেদনার সেই প্রথম ধারণ করলাম। তবু স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা আমার জয় আমার অর্জন। আমার ভাষা আমার পতাকা আমার মাটি আমার অধিকার আমার সম্পদ আমি বাঙালি আমার বাংলাদেশ। এখানে নাগিনীর উত্খাত আমার ধর্ম এখানে তারুণ্য জাগ্রত শত্রু হননে। হে মহামানব রক্তাক্ত গভীরতায় তোমার অমরত্ব আমাদের আচ্ছন্ন করে রাখে শ্রদ্ধায় ভালোবাসায়।