কচুয়ায় দুর্ধর্ষ ডাকাত মনিগাউছ র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত

জামাল বাহিনীর আরেক দুর্ধর্ষ ডাকাত মনিগাউছ গত রবিবার গভীর রাতে র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। কচুয়া থানার ওসি আলমগীর হোসেন মজুমদার জানান, রবিবার রাত পৌনে ৩ টার দিকে কচুয়া সদর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার উত্তরে (কচুয়া-সাচার সড়ক সংলগ্ন) ঘাঘরা গ্রামের মেহের আলী মিয়াজীর বাড়ির দক্ষিণ পাশে একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। টহলরত র্যাব কুমিল্লা-১১ এর মুখোমুখি হয় ডাকাতরা। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। গুলিতে ডাকাত মনিগাউছ ঘটনাস্থলে নিহত হয়। এ ব্যাপারে র্যাবের পক্ষ থেকে কচুয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ জানায়, মনিগাউছের বিরুদ্ধে কচুয়া ও মতলব থানায় দুটিসহ আদালতে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে আদালতে দায়ের করা মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। স্থানীয় লোকজন জানায়, মনিগাউছ কমপক্ষে ১ ডজন নারীকে বিয়ে করে। এই নারীদেরও ডাকাতির কাজে ব্যবহার করা হতো। এছাড়া মনিগাউছের হাতে অনেক তরুণী ও গৃহবধূ নির্যাতিত হয়েছে। প্রায় দুই বছর আগে তাকে একবার ব্যাপক গণপিটুনি দেয়া হয়। কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি তাকে রক্ষা করে পুলিশের হাতে তুলে দিলে সে যাত্রায় প্রাণে বেঁচে যায় মনিগাউছ। এদিকে তার মৃত্যুতে এলাকার মানুষজন বেশ খুশি হয়েছে। মেঘদাই গ্রামের ডাকাত বড় জামাল ও ছোট জামালের নামে গড়ে ওঠে জামাল বাহিনী। প্রায় দেড় যুগ ধরে চলছিল এ দুর্ধর্ষ বাহিনীর ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও নারী ধর্ষণসহ নানা অপকর্ম। ২০১২ সালের ২৩ অক্টোবর ডাকাত সর্দার বড় জামাল এবং ২০১৩ সালের ১ মার্চ রাতে ছোট জামাল ও শাহপরান র্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হয়।