ছোটমণিদের সন্দেশ

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে বইমেলা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৩ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে গত ১৭ মার্চ রবিবার শুরু হয় বাংলাদেশ শিশু একাডেমী আয়োজিত বইমেলা ও জাতীয় শিশু দিবসের অনুষ্ঠান। ঐদিন জাতীয় শিশু দিবসের অনুষ্ঠান ও বইমেলা উদ্বোধন করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাডেমীর পরিচালক মো. নূরুজ্জামান, সভাপতিত্ব করেন একাডেমীর চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল আহাদ। বইমেলা গতকাল শেষ হয়েছে। জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন মানিকগঞ্জের গড়পাড়া সারথী কচি-কাঁচার মেলার উদ্যোগে জাতীয় শিশুদিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠান সারথী মেলার কার্যালয় প্রাঙ্গণে উদযাপন করা হয়। সকালে জাতীয় পতাকা ও সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করেন মেলার প্রতিষ্ঠাতা আবুল খায়ের সিদ্দিকী আবু ও পরিচালক অধ্যাপক আব্দুল মতিন রোম। এরপর বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে একমিনিট নীরবতা পালন করা হয়। উপস্থিত শিশু-কিশোরদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু এবং আমাদের স্বাধীনতা বিষয় প্রশ্ন-উত্তর প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে গ্রুপ-‘ক’ ১ম জার্সিয়া সিদ্দিকী অর্থি, ২য়-সিয়াম ও ৩য়-সামি। গ্রুপ-‘খ’ ১ম মিথিলা হোড়, ২য়-মাঈশা আক্তার ও ৩য় যুগ্ম তাপসী রাবেয়া ও রূপালী পর্ণা। সারথী মেলার পরিচালক অধ্যাপক আব্দুল মতিন রোমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সারথী মেলার প্রতিষ্ঠাতা আবুল খায়ের সিদ্দিকী আবু, শেরে বাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা ইরানী বেগম, অধ্যাপিকা হোসনে আরা আহমেদ লতা, মেলার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য- তামজিদুর রহমান, শওকত আকবর হান্নান, সাইফুদ্দিন আহমেদ তাইমুর, মাহবুব হোসেন পলাশ, মেলার সংগঠক সিরাজুল ইসলাম ভুইয়া জলিল, যুগ্ম সংগঠক আরিফুল ইসলাম সবুজ ও শিশু বক্তা যুগ্ম আহবায়িকা জেবা আক্তার। প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন ও মিষ্টি আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন নবাবগঞ্জ পল্লবী কচি-কাঁচার মেলার নতুন ইউনিটে পালন করা হলো জাতীয় শিশু দিবস-২০১২। সকাল ১০টায় শিশুদের কাছে বঙ্গবন্ধু শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ অংশগ্রহণ করে। এতে প্রথম স্থান অধিকার করে পঞ্চম শ্রেণীর অনামিকা বিশ্বাস, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে চতুর্থ শ্রেণীর মৌ আক্তার, তৃতীয় স্থান অধিকার করে পঞ্চম শ্রেণীর সাদিয়া তাবাসসুম। রচনা প্রতিযোগিতা শেষে বঙ্গবন্ধুর জীবনীর উপর সাধারণ জ্ঞানের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পুরস্কার পায় মাহাফুজ, আমেনা, মেঘদাদ হোসেন মেঘ। মানবীয় গুণাবলির পরিচয়ে পুরস্কার পায় নয়ন। মায়ের প্রতি ভালবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ উপহার পায় মৌ আক্তার। প্রত্যেক বিজয়ীকে বই পুরস্কার দেয়া হয়। বক্তব্য পর্বের প্রথমে কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার উপদেষ্টা দিল মনোয়ারা মনু টেলি-কনফারেন্সের মাধ্যমে চৌকিঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কেন্দ্রীয় মেলার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছাসহ ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠান সম্পর্কে অনুভূতি ব্যক্ত করেন শিক্ষক সীমা রানী বেপারী, ঝর্ণা রানী রায় ও শহিদুল্লাহ। পরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুভূতি ব্যক্ত করে নয়ন, মৌ, সাবরিনা। বিদ্যালয়ের শিক্ষক সীমা রানী বেপারী তার কণ্ঠে অসাধারণ আবৃত্তি উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রী ঈশিতা জাতির জনককে নিয়ে লেখা স্বরচিত কবিতা ‘বঙ্গবাসীর পিতা’ পাঠ করে শোনায়। অনুষ্ঠানের সভাপতি ও চৌকিঘাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলেয়া পারভীন তার বক্তব্যে ব্যতিক্রমী এই আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রওশন আরা বেগম, শিপ্রা রানী পাল, জগদীশ চন্দ্র মন্ডল, ঝর্ণা রানী রায়, স্নেহলতা সরকার, লুত্ফর রহমান, সীমা রানী বেপারী, মো. শহিদুল্লাহ, মো. আরিফুর রহমান, মোসা. লাকিনা খাতুন, সানজিদা পারভীন, কানিজ ফাতেমা ডেইজি প্রমুখ। যে সমস্ত শিক্ষার্থী কচি-কাঁচার মেলার প্রাথমিক সদস্যপদ লাভ করে তারা হলো: মেঘনাথ, হাসান মোল্লা, রাহাত ইসলাম, মো. সাগর, ইয়াসরিম রিহাম, শেখ তুষার, শেখ সিফাত, বৃষ্টি, তানজিলা, তাবাসসুম রহমান, অন্তর পাল, মো. আরিফ, মুসারিন, প্রান্ত, জায়েদুল ইসলাম. মো. কাউছার, হাসান মোল্লা, এবাদ হোসেন, স্মরণ হোসেন ও লিটন বারাতী।