রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে
অর্থনৈতিক শুমারির
কার্যক্রম
প্রকাশ : ২৬ মার্চ ২০১৩, ২০:৪৮
ইত্তেফাক রিপোর্ট
আগামী ৩১ মার্চ রবিবার থেকে তৃতীয় কৃষি বহির্ভূত অর্থনৈতিক শুমারি ২০১৩ শুরু হতে যাচ্ছে। শুমারির প্রথম পর্যায়ে আগামি ১৫ এপ্রিল থেকে দশ দিন ব্যাপী ৩৭টি জেলায় মূল গণনা কার্যক্রম চলবে। ১৫ মে থেকে ২৪ মে পর্যন্ত বাকী জেলায় দ্বিতীয় দফা গণনা কাজ চলবে।
জাতীয় আয় ও কর্মসংস্থানে অকৃষি খাতের অবদান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু এ খাতগুলো হতে পর্যাপ্ত ও নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যানভিত্তিক তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। তাই বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর উদ্যোগে ৩১ মার্চ হতে ৩১ মে ২০১৩ পর্যন্ত দুই পর্বে তৃতীয় অর্থনৈতিক শুমারি অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. নজিবুর রহমান জানিয়েছেন, অকৃষিমূলক খাতগুলোকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নমুখী করার লক্ষ্যে একটি হালনাগাদ তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলাই এ শুমারির মূল উদ্দেশ্য। ইতিমধ্যে অর্থনৈতিক শুমারি অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। গত ২০ মার্চ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সর্বশেষ সভায় এ শুমারির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত করা হয়। অর্থনৈতিক শুমারির প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য বিষয়ে পরিসংখ্যান ব্যুরোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, এর মাধ্যমে জাতীয় আয় ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের হিসাব নিরূপণ ও হালনাগাদ বেঞ্চমার্ক-তথ্য সরবরাহ করা সম্ভব হবে। তাছাড়া জাতীয় আয়ের ভিত্তি বছর পরিবর্তনের জন্য অত্যাবশ্যক তথ্য সংগ্রহ করা এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিসংখ্যান সংকলন ও বিশ্লেষণ করাও সম্ভব হবে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের শিল্পগত বিন্যাস, নিয়োজিত জনবলের সংখ্যা ও মালিকানার ধরন নির্ধারণ করা, জাতীয় অর্থনৈতিতে অনানুষ্ঠানিক খাতের কাঠামো নিরূপণ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে তার অবদান পরিমাপ করা সম্ভব হবে। বৈঠকে সচিব মো. নজিবুর রহমান জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে তার মধ্যে শুমারির প্রস্তুতিমূলক কাজের অংশ হিসেবে সারাদেশে অবস্থিত প্রতিটি ইউনিটকে (খানা ও প্রতিষ্ঠান) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং তালিকাভুক্তির মাধ্যমে প্রাপ্ত ইউনিটসমূহকে কৃষি খানা, অকৃষি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডসম্পন্ন খানা, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। তালিকা ফরমে ধারণকৃত তথ্যসমূহ অনলাইনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোতে স্থাপিত কেন্দ্রীয় সার্ভারে জমা হয়েছে। গণনা এলাকা নির্ধারণের জন্য স্পার্সোর মাধ্যমে প্রাপ্ত ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নিখুঁতভাবে জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের একটি ওয়ার্ড ও পাবনার সুজানগর উপজেলার একটি ইউনিয়নে পাইলট শুমারি সম্পন্ন করা হয়েছে।