সেনাবাহিনীকে উস্কানি দেননি খালেদা জিয়া বরং প্রশংসা করেছেন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া বগুড়ার সমাবেশে তার বক্তব্যে সেনাবাহিনীকে উস্কানি দেননি এবং তিনি বগুড়ার শাজাহানপুরে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। কয়েকটি মিডিয়া বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্য যথাযথভাবে না ছাপিয়ে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেছে। গতকাল মঙ্গলবার প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার চেষ্টা করছে-আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের এমন বক্তব্য নাকচ করে দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমাদের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার। আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। তবে তা হতে হবে স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানের। দেশে যে বিচার চলছে তা দেশে এবং বিদেশে প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে। আওয়ামী লীগই ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে ছেড়ে দিয়েছে। তাই এই বিষয়ে আশরাফের বক্তব্য কোনো মতেই গ্রহণযোগ্য নয়। আর দেশদ্রোহী কারা তা জনগণই বিচার করবে। সরকারের পেটোয়া বাহিনী সামপ্রতিক সময়ে ১৭০ জনকে হত্যা করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য নতুন করে শপথ নিতে হবে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। আমরা যে চেতনা নিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিলাম সে চেতনা ছিল মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র ও অর্থনেতিক মুক্তির। কিন্তু এ সরকার সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ, নির্যাতন, নিপীড়ন ও বিরোধী মতকে ধ্বংস করার যে ষড়যন্ত্র করছে, এর ফলে স্বাধীনতার চেতনা হারিয়ে গেছে। তিনি বলেন, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। চূড়ান্ত বিজয় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে আরো তীব্রতর হবে।