ধ্বংসাত্মক কাজে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থার নির্দেশ দেয়া হয়েছে :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যারা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড করে জনগণের জান ও মালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছেন, রেললাইন ও বিভিন্ন যানবাহনে আগুন দিয়ে জাতীয় সম্পদ ধ্বংস করে নাশকতামূলক কাজ করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রচলিত আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ধর্মীয় অনুভূতি কাজে লাগিয়ে যারা রাজনীতির অপচেষ্টা করছেন, তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। গতকাল বুধবার সকালে কুর্মিটোলায় র্যাব সদর দফতরে র্যাবের নবম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। সেনাবাহিনীকে সম্পৃক্ত করে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার দেয়া বক্তব্য সম্পর্কে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন। র্যাবের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুলিশের আইজি হাসান মাহমুদ খন্দকার, র্যাব মহাপরিচালক মোখলেসুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল মুজিবুর রহমানসহ র্যাবের পদস্থ কর্মকর্তারা। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে নাশকতাকারীকে দেখামাত্র গুলির নির্দেশ জানতে চাইলে দেয়া হয়েছে কিনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন: ‘নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে বা আছে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে যা যা করা দরকার তাই করা হবে। যে পত্রিকায় আমার বরাত দিয়ে সংবাদ ছাপা হয়েছে তা ঠিক নয়। দেখামাত্র গুলি এই ধরনের কোন নির্দেশের কথা আমি বলিনি। তবে যারা পুলিশের উপর হামলা করবে বা দেশের সম্পদ নষ্ট করবে প্রচলিত আইনে তাদেরকে গুলি করতে পারবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। তিনি বলেন, বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডবলীলা যেভাবেই হোক প্রতিরোধ করা হবে’। পুলিশের আইজি হাসান মাহমুদ খন্দকার বলেন, নাশকতাকারীদের দেখামাত্র গুলি এই ধরনের কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। কিন্তু পুলিশের উপর হামলা ও অস্ত্র লুট ও সরকারি সম্পদ নষ্ট করে দেশে যারা অরাজকতা সৃষ্টি করবে তাদেরকে আইনগতভাবে গুলি করা যাবে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।