খেলা

মৃত্তিকা-সম্ভব শরীর, তোমাকে একবার পাহাড়ি ঝর্ণার জলে সমর্পণ করে দিতে চাই। ও পাহাড়-প্রমাণ পাথর, তুমি আজ বরফের মতো গলে-গলে নদী হও। তোমার দ্রবিত জলে শীতল করি জ্বলন্ত অঙ্গারসম দেহ। ও চিরসবুজ বন, বহমান বাতাসে বাতাসে তোমার ঢেউ-ভাঙা আলুলায়িত শরীরের ভাঁজে-ভাঁজে বুনে দিই আমার না বলা যত স্ফুট-অস্ফুট কথা। অদৃশ্য স্রোতের টানে ভেসে যাক অবাধ হূদয়, ঝরে-যাওয়া মুহূর্তগুলি ফিরে আসুক আবার; উদ্ভাসিত হোক ফের অহল্যা-পাষাণ; বাতাসের সুরে-সুরে আজ প্রলাপের মতো আমি জপ করি প্রিয় এক নাম : নীলাঞ্জন, নীলাঞ্জন, নীলাঞ্জন!