জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা বাংলা প্রথমপত্র আলোচনা
আতাউর রহমান সায়েম সিনিয়র শিক্ষক সেন্ট গ্রেগরিজ হাই স্কুল, ঢাকা
প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০১৩, ১৭:৫৬
(জ্ঞান স্তর ও অনুধাবন স্তর)
প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, স্নেহসহ আন্তরিক দোয়া রইল। আশা করি- তোমরা সবাই জান যে, জে.এস.সি-র বোর্ড পরীক্ষায় বাংলা প্রথম পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে বহুনির্বাচনি ও রচনামূলক অংশে লেখক পরিচিতি ও পাঠ পরিচিতি থেকে বেশ কিছু জ্ঞান স্তরের প্রশ্ন আসে। তাই নিম্নের এক কথায় প্রশ্নোত্তরগুলো ভালোভাবে পড়লে তোমাদের অনেক কাজে লাগবে বলে আশা করি। অনুধাবন স্তরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও দেওয়া হলো।
অধ্যায়: বাঙালির বাংলা
জ্ঞান স্তর:
১। ‘বাঙালির বাংলা’ প্রবন্ধটির লেখক কে?
উত্তর: ‘বাঙালির বাংলা’ প্রবন্ধটির লেখক কাজী নজরুল ইসলাম।
২। ‘বাঙালির বাংলা’ প্রবন্ধটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ‘বাঙালির বাংলা’ প্রবন্ধটি ‘নবযুগ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
৩। বাঙালির কোন শক্তি একেবারে নেই বললেই চলে?
উত্তর: বাঙালির কর্মশক্তি একেবারে নেই বললেই চলে।
৪। বাঙালির কিসে আচ্ছন্ন হয়ে চেতনাশক্তিকে হারিয়ে ফেলেছে?
উত্তর: বাঙালি তামসিকতায় আচ্ছন্ন হয়ে চেতনাশক্তি হারিয়ে ফেলেছে।
৫। বাঙালি তামসিকতায় আচ্ছন্ন হয়ে কোন শক্তিকে হারিয়ে ফেলেছে?
উত্তর: বাঙালি তামসিকতায় আচ্ছন্ন হয়ে চেতনা শক্তিকে হারিয়ে ফেলেছে।
৬। তিমির ও জড়ত্বই কী?
উত্তর: তমঃ, তিমির ও জড়ত্বই অবিদ্যা।
৭। কী কেবল অন্ধাকার পথে, ভ্রান্তির পথে নিয়ে যায়?
উত্তর: অবিদ্যা কেবল অন্ধকার পথে, ভ্রান্তির পথে নিয়ে যায়।
৮। তমোগুণকে দমন করে কোনটি?
উত্তর: তমোগুণকে দমন করে প্রবল ক্ষাত্রশক্তি।
৯। রজোগুণ অর্থ কী?
উত্তর: রজোগুণ অর্থ হল ক্ষাত্রশক্তি।
১০। বাঙালি আজম্ম কী?
উত্তর: বাঙালি আজম্ম দিব্যশক্তি সম্পন্ন।
১১। বাঙালির কী জাগল না বলে দিব্যশক্তি কোনো কাজে লাগল না?
উত্তর: বাঙালির ক্ষাত্রশক্তি জাগল না বলে দিব্যশক্তি কোনো কাজে লাগল না।
১২। বাঙালির কিসের আগ্নেয়গিরি, অগ্নি উদিগরণ করল না?
উত্তর: বাঙালির চন্দ্রনাথের আগ্নেয়গিরি, অগ্নি উদিগরণ করল না।
১৩। প্রত্যেক মানুষই কী?
উত্তর: প্রত্যেক মানুষই ত্রিগুণান্বিত।
১৪। মানুষের ত্রিগুণ কী কী?
উত্তর: মানুষের ত্রিগুণ হচ্ছে সত্ত্ব, রজঃ ও তমঃ।
১৫। সর্ব অসত্ শক্তিকে পরাজিত করে কোনটি?
উত্তর: সর্ব অসত্ শক্তিকে পরাজিত করে সত্ত্বগুণ।
১৬। সত্ত্বগুণের প্রধান শত্রু কোনটি?
উত্তর: সত্ত্বগুণের প্রধান শত্রু তমোগুণ।
১৭। তমঃকে শাসন করতে পারে কে?
উত্তর: তমঃকে শাসন করতে পারে একমাত্র রজোগুণে।
১৮। বাঙালির মস্তিষ্ক ও হূদয় কেমন?
উত্তর: বাঙালির মস্তিষ্ক ও হূদয় ব্রহ্মময়।
১৯। বাঙালির দেহ ও মন কেমন?
উত্তর: বাঙালির দেহ ও মন পাষাণময়।
২০। বাংলার কী নিত্য প্রসন্ন?
উত্তর: বাংলার আকাশ নিত্য প্রসন্ন।
অনুধাবনমূলক
১। বাঙালি কবে অসাধ্য সাধন করবে? ব্যাখ্যা কর।
২। বাঙালির দিব্যশক্তি তমসাচ্ছন্ন হয়ে আছে কেন? ব্যাখ্যা কর।
৩। বাঙালি কীভাবে তাদের চেতনাশক্তিকে হারিয়ে ফেলেছে? বুঝিয়ে বল?
৪। অবিদ্যা বলতে কী বোঝ?
৫। ‘বাঙালি আজম্ম দিব্যশক্তিসম্পন্ন।’ কথাটি ব্যাখ্যা কর।
৬। ‘সত্ত্বগুণের প্রধান শত্রু তমোগুণকে ক্ষাত্রশক্তি দমন করে।’ ব্যাখ্যা কর।
৭। ‘বাংলার হিমালয়কে তাঁরা সর্ব দৈবশক্তির লীলা-নিকেতন বলেছেন।’ কারা? বুঝিয়ে বল।
৮। বাংলাকে সকল দেশের রানি বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
৯। বাঙালিকে মাছে-ভাতে বাঙালি বলা হতো কেন? বুঝিয়ে বল।
১০। বাঙালির দেহ ও মনকে পাষাণময় বলা হয়েছে কেন? ব্যাখ্যা কর।